দক্ষিণ ২৪ পরগনা: প্রয়োজন ছাড়াই নির্বিচারে ব্যবহার হচ্ছে স্যালাইন। জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল থেকে এমনই অভিযোগ উঠে এসেছিল। ফলে স্যালাইনের একটা সাময়িক সঙ্কটও তৈরি হচ্ছিল। অসুবিধায় পড়ছিলেন রোগীরা। তাই যথেচ্ছ স্যালাইন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে বিশেষ নির্দেশ দিল দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলা। একান্ত দরকার পড়লেই তা যেন রোগীকে দেওয়া হয়, এই নিয়ে চিকিৎসকদের সতর্ক করা হয়েছে।
জেলার বড় সরকারি হাসপাতাল, যেমন ক্যানিং, বারুইপুর মহকুমা কিংবা সোনারপুর গ্রামীণ সহ বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে এই যথেচ্ছ স্যালাইন ব্যবহারের অভিযোগ পাচ্ছিলেন স্বাস্থ্যকর্তারা। এমনকী গ্রামীণ এলাকায় জ্বর-সর্দি নিয়ে কোনও রোগী এলে অনেক ক্ষেত্রে তাঁদের স্যালাইন দেওয়া হতো। অথচ তাঁদের সেটা দরকার নেই। অনেক রোগী ও তাঁদের পরিবারের ধারণা, স্যালাইন দেওয়া মানে চিকিৎসা হচ্ছে। না হলে তাঁরা অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাই চিকিৎসকদের একাংশ ঝুটঝামেলা এড়াতে নির্বিচারে স্যালাইন দিয়ে দিতেন। এতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অসুবিধাও হয়েছে। স্যালাইন যাঁদের একান্ত প্রয়োজন, তাঁদের পেতে সমস্যা হয়েছে। কারণ এভাবে বাড়তি স্যালাইন দেওয়া হলে সময়ের মধ্যে চাহিদা মতো স্যালাইন সরবরাহ হচ্ছিল না।
বিষয়টি স্বাস্থ্যদপ্তরের এক শীর্ষ আধিকারিকের নজরে আসে। তিনিও স্যালাইন ব্যবহার নিয়ে জেলাগুলিকে সতর্ক হতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। এরপরই জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ এক নির্দেশিকা জারি করে হাসপাতালগুলিকে তা জানিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন