নয়াদিল্লি: একেই কি বলে ঢাল তরোয়ালহীন নিধিরাম সর্দার? গত ১৪ বছর হাতে নেই প্রকৃত তথ্য। ফলে আগামী ২২ বছরের মধ্যে কোন তথ্যের ভিত্তিতে হবে নরেন্দ্র মোদির ‘বিকশিত ভারত’, ভেবে মাথায় হাত নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের। ২০১১ সালের জনগণনার নথিতেই তাই এখনও চলছে পরিকল্পনা। সেই সংখ্যার ভিত্তিতেই মন্ত্রকের অনুমান, ২০৪৭ সালে দেশের জনসংখ্যা হবে ১৭৫ কোটি। এর মধ্যে শহরে বাস করবে ৮৭ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ। কিন্তু এই বিপুল পরিমাণ শহুরে বাসিন্দাদের জন্য আদৌ কি রয়েছে প্রকৃত পরিকাঠামো? জবাব হাতড়ে বেড়াচ্ছে খোদ নগরোন্নয়ন মন্ত্রকই।
শহরে কত লোক গৃহহীন অবস্থায় জীবন কাটায়? ‘সকলের মাথায় ছাদ’ প্রকল্পে কত লোকের জন্য তৈরি করতে হবে বাড়ি? তার হিসেব কেন্দ্রের কাছে নেই। মন্ত্রকের সাম্প্রতিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের হিসাব মোতাবেক, ৯ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩৪৮ জনের গৃহহীন। কিন্তু এই সংখ্যা যে বর্তমানে বদলেছে, তা বলাই বাহুল্য। তাই সঠিক তথ্য ছাড়া বিকশিত ভারত গড়া সরকারের সামনে একপ্রকার চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মন্ত্রকের অন্দরে এ নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।
মন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টে বলা হয়েছে, দ্রুত গতিতে বাড়ছে নগরায়ন। দেশের ৫৩টি শহরে ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষ বাস করে। যদিও এটিও সেই ২০১১ সালের জনগণনার তথ্য। ফলে এটি এখন আরও বেড়ে গিয়েছে। তাই ফিজিক্যাল, ইনস্টিটিউশনাল, সোশ্যাল এবং ইকনমিক গ্রোথ প্রয়োজন। তার জন্য দরকার বেসিক আরবান সার্ভিসেস। অর্থাৎ সেই বিজলি-পানি-সড়ক। গৃহহীনদের বাড়ি। তবে সরকারকে ভাবাচ্ছে জলের বিষয়টিও।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন