আজ অভিষেকের মহাবৈঠক! আমন্ত্রণ পেলেন কোন কোন নেতা? - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

আজ অভিষেকের মহাবৈঠক! আমন্ত্রণ পেলেন কোন কোন নেতা?

 


কলকাতা: বুধবার রাত পর্যন্ত তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের ধারণা ছিল, শনিবারের ভার্চুয়াল বৈঠকে সীমিত সংখ্যক নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সেই ধারণা পাল্টে গিয়েছে। কারণ, বহু বাড়িয়ে শনিবারের ভার্চুয়াল বৈঠক করতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

তৃণমূল সূত্রে প্রথমে জানা গিয়েছিল, অভিষেকের বৈঠকে থাকবেন ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কমিটির ৩১ জন সদস্য, সমস্ত জেলা সভাপতি এবং এবং সাংগঠনিক জেলা চেয়ারম্যানরা। পরে সেই তালিকায় যুক্ত করা হয় কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরদের। কিন্তু বৃহস্পতিবার পুরো দোলের আগে দিন জানা গেল, তৃণমূলের পুরো রাজ্য কমিটি, সমস্ত বিধায়ক এবং সাংসদকেও ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে যোগ দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, থাকতে বলা হয়েছে জেলা পরিষদের সভাপতি, পুরসভার চেয়ারম্যান এবং পুরনিগম এলাকার কাউন্সিলরদেরও।

উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত স্ক্রুটিনির বিষয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি নেতাজি ইনডোরে দলের সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছিলেন। সেই কমিটিতে প্রথম নাম ছিল  রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু সুব্রত বক্সির।  দ্বিতীয় নামটি ছিল অভিষেকের। বঞ্চির পৌরোহিত্যে গত সপ্তাহে তৃণমূল ভবনে প্রথম বৈঠকে বসে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত ওই কমিটি। কিন্তু সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না অভিষেক। সেই দিনই বৈঠকের শেষ পর্বে বলা হয়েছিল, অভিষেক ১৫ মার্চ ভার্চুয়াল বৈঠক করবেন। পরে অবশ্য সেই তারিখ দু’বার বদল করা হলেও, অবশেষে ঠিক হয়, নির্ধারিত ১৫ তারিখেই বৈঠক হবে।

দলের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন, নেত্রী মমতা বড় আকারে বৈঠক করে নির্দিষ্ট বিষয়ে কমিটি গড়ে দিয়েছেন। সেই কমিটি বৈঠক করেছে। তারপরে এই বৈঠক করার অর্থ কি আগের কমিটি পরোক্ষে নাকচ হয়ে যাওয়া? আবার অন্য অংশের বক্তব্য, মমতার অনুমোদন না থাকলে অভিষেক এত বড় আকারে বৈঠক করতেন না। শনির মহাবেঠক নিয়ে দুইজনের বোয়াপড়া না থাকলে মমতা সে বৈঠক করার নির্দেশ দিতে পারতেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তেমন কিছু জানা যায়নি। আরও একটি ঘটনাকে তৃণমূলের অভ্যন্তরীন সমীকরণ হিসাবেই দেখতে চাইছেন অনেকে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কমিটি বৈঠক করার পরেই ঘোষণা করা হয়েছিল, জেলাভিত্তিক কো-অর্ডিনেটর কোথায় স্ক্রুটিনির কাজ তদারকি করবেন। সেই কমিটি গঠনও করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুপুরে গড়া কমিটি রাতেই স্থগিত হয়ে যায়। শাসকদল সূত্রে জানা যায়, নেত্রী মমতা গোটা বিষয়টি নিয়ে ওয়াকিবহাল ছিলেন। যা অনেকের কাছেই ধোঁয়াশা বলে মনে হয়েছিল। বঞ্চির মতো প্রবীণ নেতাকে একেবারে না-জানিয়ে তাঁর কমিটি গড়ে দিয়েছেন, তা যেমন অনেকের মনে হয়নি, তেমনই অনেকে কমিটি গঠন স্থগিত হওয়াকে অন্য ভূমিকায় দেখেছিলেন। যদিও এই কোনো ব্যাখ্যারই প্রমাণ মেলেনি। বরং তৃণমূলের একটি অংশের বক্তব্য, দক্ষিণ কলকাতার দুই প্রবীণ নেতা কোনও কমিটি নিয়ে মমতার কাছে ‘নালিশ’ করেছিলেন। তারপরেই ওই কমিটি গঠন স্থগিত করে দেওয়া হয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন