নিউইয়র্ক: মার্কিন মুলুকে কার্যত ঘাড়ধাক্কা খেয়েছেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। তারপরও যুদ্ধবিরতির জন্য সেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপরই তাঁকে নির্ভর করতে হচ্ছে। মঙ্গলবার সৌদি আরবের জেড্ডায় মার্কিন প্রতিনিধিরা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় বসেন ইউক্রেনের সঙ্গে। সেই বৈঠকে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে কিয়েভ সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে।
এরপরই যুদ্ধ বন্ধ করার দায় রাশিয়ার দিকে ঠেলে দিয়েছেন স্বয়ং ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি আশা করছি, এবার রাশিয়া ৩০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সায় দেবে।’ জেড্ডার বৈঠকের পর জেলেনস্কি অবশ্য সাফ জানিয়েছেন, এবার রাশিয়াকে বোঝানোর দায় আমেরিকার।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসার পরেই রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার ব্যাপারে তৎপর ট্রাম্প। রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্বের বার্তা দিয়েছেন। এমনকী জেলেনস্কিকে কার্যত বাধ্য করেছেন আলোচনার টেবিলে বসতে। মঙ্গলবার জেড্ডায় বৈঠকে বসেন ইউক্রেন এবং আমেরিকার প্রতিনিধিরা।
আলোচনা শেষে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইউক্রেন। এবার আমরা রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করব। আশা করছি রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনও এবার তাতে সম্মত হবেন। রাশিয়াও যদি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে, তবে তা বিরাট ব্যাপার হবে!’ তবে রাশিয়ার সম্মতি প্রসঙ্গে খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছেন না ট্রাম্প। তাই তিনি বলেন, ‘আমরা যদি রাশিয়াকে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত করতে নাও পারি, তবে আমাদের যুদ্ধ বন্ধ করার চেষ্টা জারি রাখতে হবে। প্রাণহানি রুখতে হবে।’
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন