লন্ডন: বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ঐতিহ্যবাহী অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধীনে কেলগ কলেজে বক্তৃতা দিতে যাবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়, সামাজিক উন্নয়ন এবং নারী ক্ষমতায়ন। এ যেন বৃত্ত সম্পূর্ণ হওয়ার পালা। কারণ, দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে এই কাজ করেই বাংলাকে বিশ্বের মানচিত্রে তুলে এনেছেন মমতা। সেই অবদানই স্বীকৃতি পেতে চলেছে ব্রিটিশভূমে। যাঁদের শাসনে ২০০ বছর পরাধীন ছিল ভারত।
লন্ডন থেকে পৌনে দু’ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত কেলগ কলেজ। সকাল ১১টা নাগাদ প্রতিনিধিদল নিয়ে সেখানে রওনা দেবেন মমতা। কেলগ কলেজ হাবে প্রেসিডেন্ট প্রফেসর জোনাথন মিশি এবং এবং ফেলো লর্ড করণ বিলিমোরিয়ার সঙ্গে ঘণ্টাখানেকের ওই আলোচনাসভায় অংশ নেবেন তিনি। সঙ্গে থাকবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও।
কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন? সেই প্রসঙ্গে নিজেদের ওয়েবসাইটে কলেজ কর্তৃপক্ষ লিখেছে, ‘ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং গ্রামোন্নয়নে নজর দেন। সেই সূত্রেই নারী ও সামাজিক উন্নয়নে নানাবিধ উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ করে তাঁর সরকার। তাঁর নেতৃত্বেই একাধিক ক্ষেত্রে উন্নতির শিখরে পৌঁছেছে পশ্চিমবঙ্গ।’
এহেন কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগের দিন অর্থাৎ, বুধবার হাল্কা মেজাজে কাটালেন মমতা। সোমবারের মতো এদিনও দুপুরে হাঁটতে বেরন তিনি। দুপুর পৌনে ১২টা নাগাদ। সঙ্গে ছিলেন ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবে, বিগ বেন হয়ে পার্লামেন্ট স্কোয়্যার। সেখানে ২০১৫ সালে স্থাপিত গান্ধীমূর্তিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান তিনি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন