আরও বাড়বে ট্রেনভাড়া? দূরপাল্লার সব রেলযাত্রাই আরও মহার্ঘ? ‘টার্গেট’ এই কোচ - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫

আরও বাড়বে ট্রেনভাড়া? দূরপাল্লার সব রেলযাত্রাই আরও মহার্ঘ? ‘টার্গেট’ এই কোচ

 


নয়াদিল্লি: এবার কি দূরপাল্লার সব রেলযাত্রাই আরও মহার্ঘ হতে চলেছে? রাজধানী, দুরন্তের মতো শুধুই প্রিমিয়াম নয়, ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে যাবতীয় ট্রেনের এসি কোচকে। রেলের কোষাগারের বেহাল দশা। আর তাই হাল ফেরানোর উদ্দেশ্যে ট্রেনের যাবতীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচেই ‘ডায়নামিক ফেয়ার’ ব্যবস্থা কার্যকর হোক। সোমবার এমনই সুপারিশ করেছে রেলের স্ট্যান্ডিং কমিটি। অর্থাৎ, ট্রেনের প্রতি ১০ শতাংশ আসন সংরক্ষণেই পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকবে রেলের যাত্রী ভাড়ার পরিমাণ। একইসঙ্গে কমিটির সুপারিশ, নন-এসি এবং এসি ক্লাস কোচের ভাড়ার মধ্যে সামঞ্জস্য রাখার জন্য নিয়মিত ট্রেনের যাত্রীভাড়ার বিষয়টিও রেলের পর্যালোচনা করে দেখা প্রয়োজন।

 

এদিন এই রিপোর্ট সংসদে পেশ করেছে রেল সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। আর তারপরই বিষয়টি নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও এক্ষেত্রে ট্রেনের ‘জেনারেল ক্লাস’কে মধ্যবিত্তের নাগালেই রাখার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।



সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি স্পষ্টই সুপারিশ করেছে, নিম্ন আয়ের যাত্রীদের কথা মাথায় রেখেই রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে রেলের একটি বিস্তৃত, বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এর মধ্যে সমস্ত এসি ক্লাস এবং প্রিমিয়াম ট্রেনে ডায়নামিক প্রাইসিং মডেল যেমন বাস্তবায়িত করা যেতে পারে, তেমনই প্রয়োজন মতো ফ্লেক্সি ফেয়ার স্কিমের নিয়মিত পর্যালোচনা করাটাও প্রয়োজন। অর্থাৎ, সংসদীয় কমিটির এই সুপারিশে কি ‘ফ্লেক্সি ফেয়ার’-এর হার আরও বৃদ্ধির ইঙ্গিতও রয়েছে পরোক্ষে? এই প্রশ্নেও তুমুল জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির পথ হিসেবে একইসঙ্গে ই-অকশন পলিসি, বিজ্ঞাপন, রেলের সম্পত্তিকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের মতো নন-ফেয়ার রেভিনিউ ব্যবস্থা কার্যকরের সুপারিশও করেছে ওই কমিটি। 


 

রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, ২০২০ এবং ২০২২ সালে রেলের যাত্রীভাড়ায় কিছু পরিবর্তন হয়েছিল। কিন্তু তারপরও সাবার্বান সার্ভিস মোট খরচের মাত্র ৩০ শতাংশ এবং নন-এসি পরিষেবা মাত্র ৩৯ শতাংশ ‘রিকভার’ করতে পেরেছে। এসি কোচের পরিষেবায় এই হার মাত্র সাড়ে তিন শতাংশ বলেই উল্লেখ করেছে কমিটি।  ২০২২-২৩ আর্থিক বছর থেকেই রেলের অপারেটিং রেশিও সবসময় ৯৮ শতাংশের বেশি থাকছে। অর্থাৎ, ১০০ টাকা আয় করতে খরচের পরিমাণ ৯৮ টাকার বেশি। এই প্রেক্ষিতেও যাত্রীভাড়ায় পর্যালোচনার সুপারিশ করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন