কলকাতা: কয়েকদিন ধরেই তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এবার ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে স্লোগান লেখা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেটের কাছে দেওয়ালে লেখা হয়েছে ‘আজাদ কাশ্মীরের স্লোগান’। এপ্রসঙ্গে সোমবার জগদ্দলের মজদুর ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেন, 'তৃণমূল-সিপিএমের মধ্যে আঁতাত আছে। ওরা আঁতাত করে নাটক করছে। বাংলার বর্তমান পরিস্থিতির মোড় অন্যদিকে ঘোরাতে এসব নাটক চলছে।'
প্রসঙ্গত, রবিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ের মকরামপুরে তৃণমূলের পার্টি অফিসের সামনে প্রার্থী প্রাক্তন বিজেপি
নেত্রীকে স্বরণ করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার এবং তাঁর দল ধর্ষক, তোলাবাজ, গুণ্ডাদের পুলিশের সাহায্য দিয়ে নিরাপত্তা দিচ্ছে। তাঁর দাবি, নারায়ণগড়ও কাছে পুলিশ যতই ধর্ষককে বাঁচানোর চেষ্টা করুক পারবে না। 'মমতা ধর্ষককে বাঁচাতে পারবে না'। তাঁর কটাক্ষ, 'মমতা টিকে থাকতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার এবং তাঁর দল ধর্ষক, তোলাবাজ, গুণ্ডাদের পুলিশের সাহায্য থেকে শুরু করে তোলাবাজ, মাদক বিক্রেতা, গুন্ডা এবং সন্ত্রাসবাদীদের নিয়ে নিরাপত্তা দিচ্ছে। তাঁর দাবি, নারায়ণগড়ও দু'য়োটাই দরকার চায়'। আর জি কর কাঙের প্রসঙ্গ টেনে এনে এদিন প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মুখে স্বীকার করেছেন, তিনি নাকি ৩০ বার বিনীত গোয়েলের সঙ্গে কথা বলেছেন। উনি ভাবছেন বিনীত গোয়েল বেঁচে যাবে। তদতে সময় লাগছে। কিন্তু বিনীত গোয়েল কিছুতেই বাঁচবে না'।
প্রসঙ্গত, গুলি কাণ্ড ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে কামারহাটিতে। খুন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বয়ং
শাসকদলের কাউন্সিলর। এদিন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে নিশানা করে অর্জুন সিং বলেন, একবার উনি তাঁর
কজি কেটে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। পরদিন ই কামারহাটিতে গিয়ে চা খেয়েছিলাম।তাঁর কটাক্ষ, ওনার কজি কাটার ক্ষমতা নেই। লোকের পকেট কাটার ক্ষমতা ওনার আছে। তাঁর বক্তব্য, কামারহাটিতে টোকা আটকানোর ক্ষমতা ওনার নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশ ললিয়ে দিচ্ছেন। তবুও ওঁকে আটকাতে পারছেন না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন