অভিয়া-কাণ্ডে ফের বিস্ফোরক শুভেন্দু! সিবিআইকে প্রশ্ন বিরোধী দলনেতার - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

অভিয়া-কাণ্ডে ফের বিস্ফোরক শুভেন্দু! সিবিআইকে প্রশ্ন বিরোধী দলনেতার


 

কলকাতা: চিকিৎসক অভয়ার রহস্যজনক মৃত্যু এবং তার পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে রাজ্যে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। গত বছর ১ আগস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। কিন্তু সেই মৃত্যুর পর তড়িঘড়ি করে দেহ দাহ করা হয়, যা ঘিরে প্রথম থেকেই বিভিন্ন মহল।

অভয়ার পরিবার অভিযোগ করেছে, এতদিন কেটে গেলেও তারা এখনো মৃত্যুর শংসাপত্র হাতে পায়নি। স্বাস্থ্য ভবন, কলকাতা পৌরসংস্থা এবং আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও সমাধান মেলেনি। বরং, প্রতিটি দপ্তর তাদের অন‍্যত্র পাঠিয়ে দিচ্ছে। মূল বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ‘রুট ডেড’ টেকনিক্যালিটি, যার কারণে কর্মীরা দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পরিবারের। এই পরিস্থিতিতে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ‍্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং কলকাতা পৌরসংস্থার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের কাছে সরাসরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তিনি টুইটে চারটি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কেন অভয়ার পরিবারের হয়রানি বন্ধ হচ্ছে না? কেন মৃত্যুর শংসাপত্র দিতে এত গড়িমসি?’ শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেছেন, কলকাতা পৌরসংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, যদি কেউ কলকাতা পৌরসংস্থার অন্তর্গত এলাকায় মারা যান এবং

চিকিৎসকের দেওয়া মৃত্যু শংসাপত্র ও দাহ শংসাপত্র জমা দিলেই দ্রুত সরকারি শংসাপত্র পাওয়া উচিত। কিন্তু অভয়ার পরিবারের ক্ষেত্রে প্রশাসনের গড়িমসি রহস‍্যজনক। বিষয়টি নিয়ে সিবিআইকেও তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, ‘এই শংসাপত্র ইস্যুতে রাজ‍্য প্রশাসনের এত সতর্কতা কেন? ‘রুট ডেড’ প্রসঙ্গে এত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কেন? পাহাড়ের নিচে কি সত‍্যিই কোনও রহস‍্য লুকিয়ে আছে?’ এখন দেখার, বিরোধী দলনেতার চাপের মুখে রাজ‍্য সরকার ও প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, নাকি এই বিতর্ক আরও দীর্ঘায়িত হয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন