কলকাতা: প্রাক্তন বিধায়ক তথা আইএএস দীপককুমার ঘোষ। গত ৭ মার্চ মারা গিয়েছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বৎসর। দীপককুমার ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে এক বিশিষ্ট বর্ণময় ব্যাক্তিত্ব ছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন আর তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান সহায়ক ছিলেন। তিনি মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ১ বার বিধায়ক হন। গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও সহযোগী হওয়া সত্ত্বেও পরে তৃণমূল কংগ্রেস দল ছেড়ে দেন।
এরপর যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে দাঁড়ান নিরলসভাবে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেস ও তাঁর নেত্রীর বিভিন্ন মিথ্যা জনসমক্ষে কাছে প্রকাশ করে ‘এ কেমন মমতা’, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে যেমন দেখেছি’ ও ‘মিথ্যাশ্রী’ ইত্যাদি তথ্যসমৃদ্ধ বই লিখেছেন। তবে রাজনৈতিক ইতিহাসের আঙিনায় তাঁর লেখা ২ খণ্ডে প্রকাশিত ‘নকশালবাড়ির আগুন ও ছাই’ বইটি আজও আগ্রহ হয়ে উঠেছে। অপ্রকাশিত সরকারি তথাসমৃদ্ধ ভরা এই বই। তিনি ১ ছেলে, ১ বউমা ও মেয়েকে রেখে গেলেন।
সোমবার বিধানসভায় বিজেপির ডেপুটি দলনেতা শংকর ঘোষ প্রশ্ন করেন, প্রয়াত দীপক ঘোষের দেহ কেন বিধানসভায়
আনানো গেল না? অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভাতেই বলেন, “আমরা ওঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। বাড়ির লোক উৎসাহী নন। আমরা তো ওঁর দেহ জোর করে আনতে পারি না।”

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন