জেনিইউ-র পর এবার যাদবপুরকে ঠাণ্ডা করার দাওয়াই দিলীপ ঘোষের - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫

জেনিইউ-র পর এবার যাদবপুরকে ঠাণ্ডা করার দাওয়াই দিলীপ ঘোষের



কলকাতা:  যাদবপুরকে ফের সুর চড়িয়েছেন বিজেপির নেতা দিলীপ ঘোষের। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের  পর এবার যাদবপুর ঠাণ্ডা করার দাওয়াই দিচ্ছেন দিলীপ। তাঁর মন্তব্য, দেশবিরোধীদের কীভাবে ঠাণ্ডা করতে হয়, জেনএনইউ-তে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাদবপুর ক্যাম্পাস চিরদিনই মাওবাদীদের আড্ডা বলেও তোপ দেগেছেন তিনি।

দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘তৃণমূলের লোকেরা ডায়লগ দেয় শুধু। আজ পর্যন্ত পশ্চিমবাংলার কোথায় গণতন্ত্রটা থামাতে পেরেছে
ওরা? সন্দেশখালি থেকে আরম্ভ করে বাগুইআটি, এত বড় বড় ঘটনা ঘটল, রোজ রেপ চাউর হচ্ছে, এরা ডায়লগবাজ খাচ্চিল। হিম্মত থাকলে চোরটাও পুলিশ ওখানে দা এরপরই তিনি বলেন, ‘জেনএনইউ-তে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি, যাদবপুর কীভাবে ঠাণ্ডা করতে হয়। যাদবপুর তো চিরদিনই মাওবাদীদের আড্ডা। ক্যাম্পাসের ভিতরে কোনও রাজনৈতিক অস্তিত্ব নেই। কিছু পুরনো লোক রয়েছেন, যারা তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। আর যারা নতুন ছেলেমেয়েরা যায়, তাদের ওখানে মাথা খাওয়া হয়। দিল্লিতেও এরকম চলেছিল, আজ হিম্মত নেই কিছু করার’।

শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গাড়ির ধাক্কায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র ইন্দ্রনীল রায়ের জখম হওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতেও তপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। আর তার আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বাংলায়। এর আগেও প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ এই প্রেক্ষিতেই যাদবপুর সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেছেন, ‘কীভাবে আমরা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিলাম, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনারা দেখেছেন’। এবার দিলেন ঠাণ্ডা করে দেওয়ার দাওয়াই। এসএফআই নেতা সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, ‘দিলীপ ঘোষ জেনএনইউ-এর সবচেয়ে ভোটের রেজাল্টটা জানেন না। এও কিছু শ্রেণীর মাথা ফাটিয়ে জেএনইউ- তে যে ভোট হয়েছিল, সেখানে এবিভিপি গোহার হেরেছিল, রামপুরহাট হওয়াই হবে জেএনইউ ছিল’। এর আগেও দিলীপ ঘোষ যাদবপুর সম্পর্কে বলেছিলেন স্যার ভেঙে দেব, তখন তিনি খড়গপুরের সাংসদ ছিলেন। যাদবপুরের স্যার তো ভাঙতে পারলেননা, আরও বর্ধমানে গিয়ে হেরে গেলেন’।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন