ওয়াশিংটন: নির্বাচনী প্রচারে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ভোটে জিতে মসনদে বসার পর থেকে তা পূরণে তৎপর হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার তাঁর নির্দেশে বন্ধ হচ্ছে মার্কিন শিক্ষাদপ্তর। বৃহস্পতিবার এই বিষয়ক এগজিকিউটিভ অর্ডারে সইও করেন তিনি। প্রেসিডেন্টের এই নির্দেশের ফলে শিক্ষাখাতে আর কোনও ব্যয় বরাদ্দ করবে না ট্রাম্প সরকার।
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরেই শিক্ষাদপ্তর বন্ধ করার পক্ষে দাবি তুলেছিল রিপাবলিকান শিবির। এই পদক্ষেপের ফলে সরকারি অনুদানের ভরসায় চলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বিপদের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞ মহলের।
হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে বসে এগজিকিউটিভ অর্ডারে সই করার সময় ট্রাম্পের চারপাশে ছিল স্কুল পড়ুয়ারা। এক বিশেষ অনুষ্ঠান পর্বে ওই অর্ডারে সই করার পর হাসি হাসি মুখে তা সাংবাদিকদের সামনে তুলেও ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষাদপ্তর বন্ধ করতে চলেছি। যত দ্রুত সম্ভব তা করা হবে। এটা আমাদের জন্য ভালো কিছু করছিল না।’
শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার প্রদেশগুলির হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান ট্রাম্প। এর ফলে শিক্ষা বিষয়ক যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবে প্রদেশগুলি নিজেরাই।
১৯৭৯ সালে তৈরি হওয়া শিক্ষাদপ্তর কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া বন্ধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু শিক্ষাদপ্তরের কর্মীদের বেতন ও অন্যান্য ব্যয় বরাদ্দ বন্ধ করার ক্ষমতা রয়েছে প্রেসিডেন্টের।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন সিদ্ধান্তে ‘হীরক রাজার দেশে’র কথা মনে পড়ছে এনেকের৷ ‘আজ থেকে বন্ধ পাঠশালা! এরা যত বেশি পড়ে, ততো বেশি জানে, ততো কম মানে...’

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন