লখনউ: কিশোরীর বক্ষ স্পর্শ, তার পায়জামার দড়ি ছিড়ে দেওয়া, কিংবা তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টা নয়। বরং একে যৌন হেনস্তার প্রচেষ্টা বলে উল্লেখ করা যেতে পারে। একটি মামলার শুনানিতে এমনই মন্তব্য করেছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। সারা দেশে নারীদের উপর যৌন নিগ্রহ, ধর্ষণের মতো অপরাধের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে আদালতের এই মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
বিচারপতি রামমনোহর নারায়ণ মিশ্রর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। আদালত সূত্রে খবর, দু’জনের বিরুদ্ধে ১১-১২ বছরের এক কিশোরীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছিল। অভিযুক্তদের নাম পবন ও আকাশ। আকাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে কিশোরীর পাজামার দড়ি ছিঁড়ে তাকে জোর করে কালভার্টের নীচে টেনে নিয়ে গিয়েছিল। যদিও পথচলতি মানুষের বাধায় তারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও পকসো আইনে অপরাধের চেষ্টার ধারায় মামলা দায়ের হয় নিম্ন আদালতে। সেইমতো বিচার প্রক্রিয়াও শুরু হয়। এই আইনি প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় অভিযুক্তরা। সমস্ত নথি ও সাক্ষ্য খতিয়ে দেখে আদালত জানিয়েছে, অভিযুক্তরা যে ধর্ষণের পরিকল্পনা করেছিল, এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। আকাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে নির্যাতিতার পাজামার দড়ি ছিঁড়ে কালভার্টের নীচে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার জেরে কিশোরীর পোশাক খুলে যায়নি বা সে নগ্ন হয়ে যায়নি। এছাড়া, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টার সুনির্দিষ্ট প্রমাণও নেই। এমনই জানিয়েছে হাইকোর্ট।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন