ব্যাঙ্কে পরিষেবার বহর বাড়লেও নতুন কর্মী নিয়োগ কোথায়? - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫

ব্যাঙ্কে পরিষেবার বহর বাড়লেও নতুন কর্মী নিয়োগ কোথায়?

 


কলকাতা: ‘ফিনান্সিয়াল ইনক্লুশন’। সাধারণ মানুষকে কতটা সুষ্ঠু আর্থিক পরিষেবার আওতায় আনা গেল, তার মাহাত্ম্য বোঝাতে এই কথাটি প্রায়শই ব্যবহার করে কেন্দ্র। দেশবাসীকে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার আওতায় আনা তারই অন্যতম দিক। সেই কাজটি ‘মন দিয়ে করতে’ হরেক প্রকল্প চালু করেছে মোদি সরকার। জনধন যোজনা থেকে শুরু করে রান্নার গ্যাসের ভর্তুকি—ব্যাঙ্ক ব্যবস্থায় আসা ছাড়া সাধারণ মানুষের এখন গতি নেই। 

আর এই ফর্মুলায় সবার আগে অবশ্যই যাবতীয় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক। কিন্তু এখানে প্রধান প্রশ্নটা হল, সাধারণ মানুষ ব্যাঙ্কে গিয়ে পরিষেবা সুষ্ঠুভাবে পাচ্ছে কি? ব্যাঙ্কের কর্মী সংখ্যা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান দু’টি অঙ্ক স্পষ্ট করে দিয়েছে। প্রথমত, মোদি জমানায় হু হু করে নেমেছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কর্মী সংখ্যা। অথচ ব্যাঙ্কের শাখার সংখ্যা বেড়েছে অনেকটাই। অর্থাৎ সরকারি চাকরির বাজার যে ক্রমশ সঙ্কুচিত হচ্ছে, তার প্রমাণ দিচ্ছে ব্যাঙ্কে পড়ে থাকা শূন্যপদই। দ্বিতীয়ত, গত কয়েক বছরে গ্রাহক যেভাবে বেড়েছে, সেই তুলনায় কর্মী সংখ্যা অত্যন্ত কম। দেশের বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির তথ্য বলছে, একজন কর্মী গড়ে দু’হাজারের বেশি গ্রাহককে পরিষেবা দেন! বেসরকারি ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যাই কিন্তু তিনশোর আশপাশে।

২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার আগে দেশে ব্যাঙ্ক শাখার সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লক্ষ ১৮ হাজার। তা ২০২৪ সালের শেষে এসে তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৬১ হাজারে। এর মধ্যে এক লক্ষেরও বেশি ব্যাঙ্ক শাখা গ্রাম ও আধা শহরগুলিতে অবস্থিত। এর একটা বড় অংশ দখলে রেখেছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক। সেখানে কর্মী সংখ্যা কত? এই সংক্রান্ত জবাব সংসদেই দিয়েছে মোদি সরকার। 

অর্থমন্ত্রক জানিয়েছে, ২০১৭ সালে দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে কর্মী সংখ্যা ছিল প্রায় ২ লক্ষ ৬৯ হাজার। চলতি বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি সেই সংখ্যা কমে হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ ৪৮ হাজার। অর্থাৎ সাত বছরে কর্মী কমেছে ২০ হাজারের বেশি। ২০১৭ সালে সাব স্টাফের সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লক্ষ ১৯ হাজার। সেটা এখন প্রায় ৮৯ হাজার। অর্থাৎ এখানে কর্মী কমেছে প্রায় ৩০ হাজার। ২০০৭ সালের সঙ্গে তুলনা করলে কর্মী সংখ্যা কমেছে এক লক্ষের বেশি। ব্যাঙ্ক কর্মীরা বলছেন, গ্রাহকদের পরিষেবা দেন এঁরাই। অথচ তাঁদের সংখ্যা কমে যাওয়ায় শিকেয় উঠছে পরিষেবা। গ্রাহকরা ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন দিনের পর দিন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন