ব্যারাকপুর: দলনেত্রীর নির্দেশ মতোই তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা ভূয়ো ভোটার খুঁজতে দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন। ভূয়ো ভোটার খোঁজা নিয়ে এবার শাসকদলকে বিঁধলেন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর কটাক্ষ, মমতা ব্যানার্জির সরকার দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। এই দুর্নীতি থেকে মোড় ঘোরাতেই ভূয়ো ভোটার খোঁজার নাটক শুরু হয়েছে। আসলে ওদের লক্ষ্য, মানুষের মন অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া। তাঁর বক্তব্য, বাংলায় সহকারী রিটার্নিং অফিসার হলেন বিডিও, এসডিও এবং ডিএম। সমস্ত নির্বাচনের কাজ এঁদের অধীনে হয়ে থাকে। তাঁর দাবি, বাংলার সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা সরকারের লোক নন। এরা তৃণমূলের লোক হয়ে গেছেন। তৃণমূলের নির্দেশ মতো এরা কাজ করেন। তাঁর অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভূয়ো ভোটার খোঁজার নামে নাটক করছেন তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা।
এক-একজন তৃণমূল নেতার নাম ভোটার তালিকার তিন-চার জায়গায় আছে। তাছাড়াও বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় যাদের নাম, বাংলার ভোটার তালিকায়ও তাদের নাম আছে। বাংলায় এক-একজন সখ গালতু ভোটারের নাম তিন-চার জায়গায় আছে। অথচ ওরা ভূয়ো ভোটার খোঁজার নামে নাটক করছে। তাঁর সংযোজন, বাংলায় ভূতুড়ে ভোটার নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া প্রয়োজন। যাতে ভূয়ো ভোটার নিয়ে আদালতের মাধ্যমে সিবিআই তদন্ত করানো যায়। তাঁর দাবি, বাংলায় ৪০-৫০ লক্ষ ভূয়ো ভোটার আছে। ভোটার তালিকা থেকে সেই ভূয়ো ভোটার বাদ গেলেই মমতা ব্যানার্জির সরকার শেষ হয়ে যাবে। তৃণমূলের ভূয়ো ভোটার খোঁজা নিয়ে তাঁর বক্তব্য, আসলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভূয়ো ভোটার খোঁজার নামে ভয় দেখানো হচ্ছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে দেখা গিয়েছে, বিজয়ী প্রার্থীকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর যিনি হেরেছেন, তাঁর নামে জেতার শংসাপত্র ইস্যু করা হচ্ছে। তাঁর কটাক্ষ, বিডিও, এসডিও এবং ডিএম-রা সরকারি আমলা নয়। এরা তৃণমূল দলটা করেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন