কলকাতা: এই মুহূর্তে আর আগামীদিনে দেশের অর্থনীতির ভিত্তি স্টার্টআপ। সহজ কথায় উন্নতি শিল্প যেখানে থাকে উদ্ভাবনী ভাবনা। ভারতের ৭৩০টি জেলার ডিপিআইআইটি’র অধীনে দেড় লাখের বেশি স্টার্টআপ নিবন্ধিত হয়েছে, দেশের এই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম।
বেশিরভাগ স্টার্টআপ টাকার অভাবে মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কেন্দ্রীয় সরকারের ন্যাশনাল ক্রেডিট গ্যারান্টি প্রকল্পে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জামানতযুক্ত ঋণ দেওয়া হয়।
ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমের সুবিধা (১) কোনো জামানতের দরকার নেই: বেশিরভাগ স্টার্টআপ সাফল্যের পথে এগিয়ে যায়। এই সময়ে অর্থ্যাৎ জামানতের কারণে টাকা জোগাড়ের ক্ষেত্রে স্টার্টআপ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। এই প্রকল্প সেই টাকা জোগানের সহজ রাস্তা খুলে দেয়। (২) নামমাত্র গ্যারান্টি ফী: বকেয়া পরিমাণের ওপর বার্ষিক ২% হারে বার্ষিক গ্যারান্টি ফী নেওয়া হয়। কার্যকরী মূলধন সুবিধার ক্ষেত্রে, এটা অনুমোদনের পরিমাণের ওপর ধার্য করা হয়। (৩) নমনীয় ঋণ সুবিধা: স্বল্পমেয়াদী বা দীর্ঘমেয়াদী নানান ব্যবসায়িক চাহিদা পূরণের জন্য এই প্রকল্পের অধীনে ঋণ নেওয়া যায়। ঋণের মধ্যে রয়েছে— ভেঞ্চার ঋণ, মেয়াদী ঋণ, কার্যকরী মূলধন ঋণ, অবগঠন ঋণ, মেজানাইন ঋণ ও ডিবেঞ্চার ঋণ। এই প্রকল্পে ঋণ নিতে চাইলে— (১) স্টার্টআপ কেন্দ্রীয় সরকার ডিপিআইআইটি স্বীকৃত হতে হবে। (২) স্টার্টআপের কোথাও বকেয়া ঋণ থাকা চলবে না। (৩) ব্যবসাকে অবশ্যই একটা স্থিতিশীল পর্যায়ে থাকতে হবে। কোথায় আবেদন করতে হবে এই প্রকল্পে ঋণ নেওয়ার জন্য যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি ব্যাঙ্কে আবেদন করা যাবে। সর্বোচ্চ ঋণ পাওয়া যাবে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন