কলকাতা: পানাগড়ের ঘটনা ইভটিজিং নয়, বুধবার আদালতে এমনটাই দাবি করা হল রাজ্যের তরফ থেকে। তাদের দাবি দুর্ঘটনাতে মৃত্যু হয়েছিল চন্দননগরের সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে একটি মিডিয়া হাউসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত সওয়াল করতে গিয়ে জানান, এই ঘটনায় আক্রান্ত একজন ইভেন্ট ম্যানেজার। তিনি বুদবুদ্যা যাচ্ছিলেন অনুষ্ঠান করতে। গাড়িটি পানাগড়ের পেট্রোল পাম্পে যায়। সেখান থেকে পেট্রোল ভরে বুদবুদ্যার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। অন্যদিকে আর একটি ক্রেটা গাড়িও পানাগড়ের, সেই গাড়ির মালিক তাঁর ছেলে বিষ খেয়ে বর্ধমান হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরিবারের বাকি সদস্যদের আশঙ্কা ছিল ছেলের বউ বা মা বিষ খেতে পারে। সেই আশঙ্কায় জোরে গাড়ি চালাচ্ছিলেন তাঁরা হাসপাতাল থেকে ফিরছিলেন। তখনই ক্রেটা গাড়িটি প্রথমে ওভারটেক করে সুতন্দ্রার গাড়িকে। সেই সময় সুতন্দ্রার অন্য প্রবণতা আরও বাড়ে। এরপর পানাগড়ের একটা জায়গায় এসে ক্রেটা গাড়িটি কার সার্ভিস রোডে ঢুকে যায়। আর সুতন্দ্রার গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটা নির্মাণ ট্রায়ালেটে গিয়ে আছড়ে পড়ে। এটা কোনো ভাবেই ইভটিজিংয়ের বিষয় নয়। সেই ঘটনাকে মিডিয়া ইভটিজিং বলে সম্পূর্ণ অন্য গল্প বানিয়ে চালিয়েছে।’
এই প্রসঙ্গে রাজ্যের এজি কিশোর দত্ত আরও বলেন, ‘আমাদের কাছে অন্তত ৭০ টি সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। পুলিশ কমিশনার খতিয়ে দেখেন। তারপর সেদিন বিকেলে ৩টা ৪৫ এ সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান এটা ইভটিজিং-এর ঘটনা নয়। কিন্তু বিভিন্ন মিডিয়া হাউস প্রতিদিন সকাল পর্যন্ত ইভটিজিং বলে চালাতে থাকে।’ এরই রেশ ধরে এজি এও জানান, ‘যে যে নিউজ চ্যানেল এবং সংবাদপত্র সংক্রান্ত খবর করেছে, তাঁদের প্রত্যেককে অভিযুক্ত হিসাবে যোগ করতে হবে।’ আগামী ১৮ মার্চ শুনানি হবে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন