উচ্চ মাধ্যমিকের ভুয়ো প্রশ্ন ফাঁসে সিম জালিয়াতি? নতুন কেলেঙ্কারির পর্দাফাঁস - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫

উচ্চ মাধ্যমিকের ভুয়ো প্রশ্ন ফাঁসে সিম জালিয়াতি? নতুন কেলেঙ্কারির পর্দাফাঁস

 


বিধাননগর: যাঁদের নথি ব্যবহার করা হচ্ছে, তাঁরা জানেনই না! অথচ, সেই নথি দিয়ে হাজার হাজার প্রি-অ্যাক্টিভেটেড সিমকার্ড তুলছে সাইবার প্রতারণার বড় চক্র। সম্প্রতি পুরুলিয়া ও মুর্শিদাবাদ থেকে সিম জালিয়াতি চক্রের দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানা। বাজেয়াপ্ত হয়েছে আড়াই হাজার প্রি-অ্যাক্টিভেটেড সিমকার্ড। আর তারপরই নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। কারণ ধৃতদের জেরা করে পুলিস জানতে পেরেছে, উচ্চ মাধ্যমিকের ভুয়ো প্রশ্নপত্র ফাঁসে ওই দু’জনই প্রি-অ্যাক্টিভেটেড সিমকার্ড সরবরাহ করেছিল। সেই সিম ব্যবহার করে খোলা হয়েছিল একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। তার মাধ্যমে ভুয়ো প্রশ্নের পিডিএফ বিক্রির টোপ দিয়ে টাকার লেনদেনও করেছিল প্রতারকরা।

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, উচ্চ মাধ্যমিকের বাংলা, ইংরেজি ও পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছে বলে একটি ভুয়ো ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট হয়েছিল৷ ছড়ানো হয়েছিল ভিডিও৷ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রের (ভুয়ো) পিডিএফ পাওয়া যাচ্ছে বলে ফাঁদ পাতে প্রতারকরা। প্রচার একটাই—টাকা ফেলো, মিলবে পিডিএফ! পরদিন, অর্থাৎ ৭ মার্চ পদার্থ বিজ্ঞানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস না হলেও ঝুঁকি নেয়নি প্রশাসন। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব প্রিয়দর্শিনী মল্লিক ওইদিনই বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাতেই ফেসবুকে পোস্ট করা ওই ভুয়ো ভিডিও এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে ভুয়ো প্রশ্নপত্রের পিডিএফ প্রসঙ্গটি উল্লেখ করেন তিনি। মূলত, শিক্ষা সংসদ ও রাজ্য সরকারকে বদনাম করতেই ওই ধরনের ভুয়ো ভিডিও ছড়ানো হয়েছিল বলে অভিযোগ।

বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানা এফআইআর রুজু করে তদন্তে নামে। দু’দিন আগে পুলিস শ্রীমন্ত গড়াই নামে সিম জালিয়াতি চক্রের একজনকে গ্রেপ্তার করেছিল। তাকে জেরা করে আলফাজ শেখ নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাজেয়াপ্ত হয় আড়াই হাজার প্রি-অ্যাক্টিটেভেড সিমকার্ড। ওই সিমগুলি বিভিন্ন পরিষেবা প্রদানকারী কোম্পানির। তার কাছ থেকে ৬৫টি মোবাইলও উদ্ধার করা হয়।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন