হাওড়া: চেহারা স্থূল। তাই দিতে হবে দুই যাত্রীর ভাড়া। অটোওয়ালার আজব দাবি শুনে চমকে গিয়েছিলেন মহিলা যাত্রী। তবে বাধ্য হয়ে অটোতে ওঠেন। মাঝরাস্তায় চালক আর একজন যাত্রীকে তুলে নেন। তখন প্রথম যাত্রী অতিরিক্ত ভাড়া দিতে অস্বীকার করেন। এই নিয়ে শুরু বচসা। ক্রমে তা চরমে ওঠে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে যায় অটো। শুরু হয় যানজট। তারপর এলাকার স্থানীয় কয়েকজন হস্তক্ষেপ করেন। বহু কষ্টে মিটমাট হয়। সম্প্রতি এই ঘটনা ঘটেছে হাওড়ার ডোমজুড়-জগৎবল্লভপুর রুটে। অটো চালকের এই আজব দাবি শুনে হতবাক সবাই।
গত সপ্তাহে জগৎবল্লভপুরের পাতিহালের বাসিন্দা পেশায় আশাকর্মী পাপিয়া মান্না ডোমজুড় থেকে কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। ডোমজুড় মুন্সিরহাটের অটোতে ওঠেন তিনি। ওঠার আগে চালক অতিরিক্ত ভাড়া চেয়ে বসেন। পাপিয়াদেবীর দাবি, তিনি যেহেতু চেহারায় স্থূল সে জন্য বসার জায়গা বেশি লাগে। সে কারণে দু’জনের ভাড়া দিতে রাজি হন। কিন্তু ডোমজুড় ছেড়ে অটো কিছুদূর যাওয়ার পর আরও একজন যাত্রীকে তোলেন চালক। তাঁকে পাপিয়াদেবীর পাশে বসান।
পাপিয়াদেবীর প্রশ্ন, দু’জনের ভাড়া দেওয়া সত্ত্বেও কেন অটোচালক অতিরিক্ত যাত্রী তুললেন। ওই যাত্রীকে নামাতে অস্বীকার করেন চালক। অটো পাতিহালের হাটতলা আসার পর দু’জনের তুমুল বচসা শুরু হয়। রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়ে অটো। যানজট শুরু হয়। তখন হস্তক্ষেপ করেন স্থানীয়রা। পাপিয়াদেবীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর বোন নমিতা সাহা। তিনি বলেন, ‘দিদি অসুস্থ। তিনি মোটা বলে দ্বিগুণ ভাড়া দিতেও রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু অটোচালক কাজটা অন্যায় করেছেন।’ চালক বলেন, ‘ওই মহিলা মোটা বলেই দ্বিগুণ টাকা চেয়েছিলাম। পাশে বসার আরও জায়গা ছিল। তাই যাত্রীও তুলেছিলাম।’

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন