অক্সফোর্ডের বাঙালি গবেষককে ব্রিটেন ছাড়ার নির্দেশ - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫

অক্সফোর্ডের বাঙালি গবেষককে ব্রিটেন ছাড়ার নির্দেশ

 


লন্ডন: গবেষণার জন্য ভারতে অতিরিক্ত সময় কাটানোর কারণে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ভারতীয় ইতিহাসবিদকে ব্রিটেন ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মণিকর্ণিকা দত্ত (৩৭) নামের ওই গবেষককে একটি ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, অবিলম্বে তাকে ব্রিটেন ত্যাগ করতে হবে। অন্যথায়, তার ব্রিটেন ভ্রমণে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে এবং অতিরিক্ত সময় থাকার জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

এই ঘটনায় হতবাক মণিকর্ণিকা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তিন মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। ২০১২ সালে ছাত্রী ভিসায় ব্রিটেনে আসা মণিকর্ণিকা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর সেখানেই ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করছেন। গবেষণার প্রয়োজনে তিনি একাধিকবার ভারতে গিয়ে বিভিন্ন শহরে ঘুরেছেন এবং বিভিন্ন নথি সংগ্রহ করেছেন।

মণিকর্ণিকার স্বামী সৌভিক নাহা গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। ব্রিটেনে থাকাকালীন তাদের পরিচয় হয় ও পরে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর মণিকর্ণিকা স্পাউস ভিসা নেন। এই দম্পতি ১০ বছরের বেশি সময় ধরে ব্রিটেনে বসবাস করছেন। গত অক্টোবরে তারা ভিসাবিহীন অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্রিটেনে বসবাসের  আবেদন করেছিলেন। সৌভিকের আবেদন মঞ্জুর হলেও মণিকর্ণিকার আবেদন খারিজ হয়ে যায়।

ব্রিটেনের অভিবাসন আইন অনুযায়ী, ১০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে বসবাসকারীরা সর্বোচ্চ ৫৪৮ দিন দেশের বাইরে থাকতে পারেন। মণিকর্ণিকা ৬৯১ দিন ব্রিটেনের বাইরে ছিলেন, যা নির্ধারিত সময়সীমার চেয়ে ১৪৩ দিন বেশি। এই কারণেই তার আবেদন খারিজ করা হয়েছে।

বর্তমানে ইউনিভার্সিটি কলেজ ডাবলিনে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত মণিকর্ণিকা জানান, তিনি ১২ বছর ধরে ব্রিটেনে বসবাস করছেন এবং এখানকার একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করেছেন। এমন ঘটনা ঘটবে, তা তিনি কখনো ভাবেননি। তার স্বামী সৌভিকও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মণিকর্ণিকার আইনজীবী নাগা কান্দিয়া জানিয়েছেন, শিক্ষাগত প্রয়োজন ও প্রাতিষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতার কারণে তার মক্কেলকে ভারতে যেতে হয়েছিল, যা তার গবেষণাপত্র সম্পন্ন করার জন্য অপরিহার্য ছিল।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন