দুবাই: নজির গড়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে উঠল নিউ জিল্যান্ড। রানের পাহাড় গড়ে প্রথমে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে দিয়েছিল কিউয়ি ব্রিগেড। কেন উইলিয়ামসন এবং রাচিন রবীন্দ্রর জোড়া সেঞ্চুরির ধাক্কা আর সামলাতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা। ডেভিড মিলার মরিয়া চেষ্টা করলেও ফাইনালের টিকিট মিলল না প্রোটিয়াদের ভাগ্যে।
চিরকালের চোকার্স। একটা পর একটা আইসিসি টুর্নামেন্ট যায়, আর এই শব্দবন্ধ বসে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার নামের সঙ্গে। ওয়ানডে বিশ্বকাপ, টি-২০ বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি-গত দেড় বছরে প্রত্যেকটা টুর্নামেন্টে দাপট দেখি য়েছে প্রোটিয়া ব্রিগেড। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে ভেঙে পড়েছে গোটা দল। ট্রফি জয়ের স্বপ্ন অধরা থেকে গিয়েছে। সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল বুধবারের লাহোরেও।
এদিন টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। পাওয়ার প্লে চলাকালীনই আউট হয়ে যান ফর্মে থাকা ওপেনার উইল ইয়ং। কিন্তু দলের ইনিংস গড়ার দায়িত্ব নেন রাচিন এবং উইলিয়ামসন। ১৬৪ রানের জুটি গড়ে বড় রানের ভিত গড়েন। শেষ পর্যন্ত দুজনের ব্যাট থেকেই আসে সেঞ্চুরি। ওপেন করতে নেমে রাচিন সেঞ্চুরি এল ১০৬ বলে। তবে ১০১ বলে ১০৭ রান করে আউট হন তিনি। উইলিয়ামসন বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরি পূরণ করেন মাত্র ৯১ বলে। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৩৩২ রানে থামে কিউয়ি ইনিংস। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে এটাই এক ইনিংসে সর্বোচ্চ স্কোর।
৩৩৩ রানের পাহাড় তাড়া করতে হলেও ইনিংসের শুরুতে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন প্রোটিয়া ব্যাটাররা। কিন্তু রানের গতি বাড়াতে না পেরে কার্যত উইকেট ছুঁড়ে দেন। ৭১ বলে মাত্র ৬১ রানের মন্থর ইনিংস খেলেন টেম্বা বাভুমা।
৯৬ রান আসে রাসি ভান ডার ডুসেনের ব্যাট থেকে। এছাড়া ব্যাটল লাইন আপের সকলেই ব্যর্থ। টেইলএন্ডারদের সঙ্গী করে একটা মরিয়া লড়াইতে চালিয়েছিলেন মিলার। ম্যাচের শেষ বলে সেঞ্চুরি করলেন মিলার। কিন্তু শেষ চারের যুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকাকে দুরমুশ করে ফাইনালে উঠল নিউ জিল্যান্ড। যে খেতাব লড়াইয়ে ভারতের বিরুদ্ধে নামবেন স্যান্টনারা।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন