কলকাতা: ২২ মার্চ বিদেশ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লন্ডনে ইন্ডিয়ান হাইকমিশনের অনুষ্ঠান, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা, বাণিজ্য সম্মেলনসহ কয়েকটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এই সফর রাজ্যে বিনিয়োগ সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে বাংলাকে পৌঁছে দেবে নতুন মাত্রায়। কিন্তু তাঁর এই সফরের আগে নানাস্থানে কুৎসা মেল পাঠাচ্ছে ‘কুচক্রীরা’।
বৃহস্পতিবার নবান্নে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই ঘৃণ্য কাজে একযোগে মাঠে নেমেছে বাম, উগ্রবাম এবং সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলি। মনে রাখবেন, বিদেশের মাটিতে দেশের সম্মান সবার আগে। আমাদের কোনও নেতা বিদেশে গেলে আমরা তাঁর বদনাম করি না। কিন্তু আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি যে, ইমেল করে আমার নামে বদনাম করা হচ্ছে! বলা হচ্ছে, আমরা খারাপ। সেসব ইমেল আমাদের হাতে পৌঁছেছে। আসলে এইভাবে বাংলারই অসম্মান করা হচ্ছে।’
যাঁরা এমন কাজ করছে তাঁদের ‘গণশক্র’ বলেও আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর কথায়, নীতি আয়োগের একটি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীই জানিয়েছিলেন, মাঝে মধ্যে বিদেশে গেলে বিনিয়োগ সুনিশ্চিত হয়। কিন্তু তাঁর দু’বছরে একবার বিদেশে সফরও সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। কুচক্রীরা বাংলায় দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা চালিয়ে যায় বলে তাঁর পক্ষে দিল্লিযাত্রাও কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে তিনি বিদেশে অবস্থানকালে সুব্রত বক্সি এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সমস্ত দায়িত্ব সামলাবেন। এদিন জানিয়ে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ওইসঙ্গে প্রশাসনিক কাজের ভার সামলাবেন অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা ও সুজিত বসু। এঁরা প্রতিদিন নবান্নে বসবেন বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যসচিবও বিদেশ সফরে যাচ্ছেন। তাই ভূমিসংস্কার সচিব বিবেক কুমার, অর্থসচিব প্রভাত মিশ্র, স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং পুলিসের তরফে ডিজি রাজীব কুমার ও কলকাতার সিপি মনোজ ভার্মাকে নিয়ে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন