পোস্ট অফিস থেকে লোপাট ১২ লাখ টাকা, তদন্তে সিআইডি - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫

পোস্ট অফিস থেকে লোপাট ১২ লাখ টাকা, তদন্তে সিআইডি

 


জামালপুর: পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে পোস্ট অফিসে টাকা রেখে লোপাটের মামলায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এতদিন এই মামলার তদন্ত করছিল পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট ও কেস ডায়েরি দেখার পর অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। এরপরেই তিনি সিআইডিকে তদন্তভার হস্তান্তর করার নির্দেশ দেন। আদালতের আরও নির্দেশ, এই মামলার আগের দায়িত্বে থাকা দুই আইওকে সিআইডি জিজ্ঞাসাবদ করতে হবে। ওই দুই অফিসার এই তদন্তে কী কী পদক্ষেপ করেছেন তাঁদের থেকে ব্যাখ্যা নিতে হবে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই তদন্ত শেষ করতে হবে জানিয়ে আদালত এও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই মামলার তদন্তের জন্য একজন অ্যান্টি করাপশন বিভাগের দক্ষ অফিসারকে নিয়োগ করতে হবে।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের তরফ থেকে তদন্তের ভার দেওয়া হয়েছিল সিআইডিকে। সেই কথা মতো পোস্ট অফিস থেকে ১২ লক্ষ কুড়ি হাজার টাকার উধাও হয়ে যাওয়ার তদন্তে সিআইডির চার প্রতিনিধি দল আসে জামালপুর পোস্ট অফিসে। তদন্তে নেমে পোস্ট অফিসের দীর্ঘক্ষন পোস্টমাস্টারের সাথে কথা বলার পর, সিআইডির চার প্রতিনিধি দল অভিযোগকারী সুরজিৎ পালের বাড়িতে পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষন সুরজিৎ এর পরিবারের সাথে কথা বলে এবং ভিডিওগ্রাফি করা হয় সুরজিৎ এর পরিবারের কথোপকথনও। তারপর আবার ও পোস্ট অফিসে পৌঁছয় ওই সিআইডির টিম।

জানা গিয়েছে, বর্ধমানের জামালপুরের বাসিন্দা আবেদনকারী সুরজিৎ পেশায় ফল বিক্রেতা। বাবা রণজিৎ পাল মূক ও বধির। ২০২১ সালে পোস্ট অফিসে দুজনে ১২ লক্ষ টাকা জমা করেছিলেন। ২০২২ সালে অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করার জন্য ওই টাকা তোলার চেষ্টা করেন সুরজিৎ। কিন্তু সেই টাকা পেতে বাধা হয়ে দাঁড়ান পোষ্টমাস্টার। অনিচ্ছা জামারপুর থানায় পোস্ট অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ, পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। টাকা না পাওয়ায় অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করাতে ও পারছেন না বলে অভিযোগ। তার প্রেক্ষিতেই পুলিশের রিপোর্ট তলব করে আদালত। এদিন সেই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, লোকের হাটের টাকা জমাতে টাকা রাখছে পোস্ট অফিসে, আর তা লোপাট হয়ে যাচ্ছে। পুলিশ কিছুই করছে না। এভাবে লোপাট হয়ে গেলে, আর পুলিশ কিছু না করলে মানুষের ভরসা উঠে যাবে। ক্ষোভ প্রকাশ করে এমন বিচারপতি। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে টাকা রেখে যদি এই ভাবে মানুষ প্রতারিত হয় তাহলে মানুষ যাবে কোথায়। অভিযোগকারী সুরজিৎ বলেন, ‘আমাদের হাইকোর্ট ও সিআইডির ওপর ভরসা রয়েছে। আমরা আমাদের প্রাপ্য টাকা ফিরে পাবো। এই অপরাধের সাথে যারা যুক্ত রয়েছে তারা আইনের মাধ্যমে যথাযথ শাস্তি পাবে।’

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন