মুম্বই: গত বছর তাঁর নেতৃত্বেই কলকাতা নাইট রাইডার্স আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তবুও তাঁকে ধরে রাখা হয়নি। এই প্রসঙ্গে অভিমানের সুর শ্রেয়সের গলায়, ‘আইপিএল জেতার পর প্রাপ্য সম্মান ও স্বীকৃতি পাইনি। তবে দিনের শেষে কেউ দেখুক আর নাই দেখুক, নিজের কাজটা মন দিয়ে করে চলাই আসল। আর সেটাই করি।’ আসন্ন আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দেবেন শ্রেয়স। ১৬ মার্চ তিনি দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। তার আগে কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্ট এবং শাহরুখ খানদের কার্যত খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন তারকা ব্যাটসম্যান।
তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের খুশিই শ্রেয়সের চোখেমুখে স্পষ্ট। অধিনায়ক রোহিত শর্মা তাঁকে চিহ্নিত করেছেন ‘নীরব নায়ক’ হিসেবে। ৩০ বছর বয়সির মতে, ‘দুবাইয়ের উইকেটে ব্যাট করা সহজ ছিল না। বিশেষ করে সিঙ্গলস নেওয়া ছিল খুব কঠিন। বোলাররা নিখুঁত নিশানায় ক্রমাগত বল করে যাচ্ছিল। কিন্তু নিজের উপর বিশ্বাস হারাইনি। যে পরিস্থিতিতেই নামি না কেন, কাজটা শেষকরে আসব— জ্বলন্ত আস্থা ছিল আমার ক্ষমতায়। ক্রমাগত ব্যর্থতা ও বাদ পড়াই আমাকে এমন মানসিক কাঠিন্য এনে দিয়েছে।’
উপচে পড়া উচ্ছ্বাস আর দু’কুল ছাপিয়ে পড়া ভালোবাসা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী ভারতীয় ক্রিকেটারদের এভাবেই সাদরে অভ্যর্থনা জানালেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। টিম ইন্ডিয়ার সদস্যরা অবশ্য সবাই একসঙ্গে দেশে ফেরেননি। রোহিত শর্মা, শ্রেয়স আয়াররা সোমবার গভীর রাতে পা রাখেন মুম্বই বিমানবন্দরে। তখনও সেখানে শয়ে শয়ে হাজির মানুষ। প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর, পেসার হর্ষিত রান আসেন নয়াদিল্লিতে। বিরাট কোহলি আবার স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার সঙ্গে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম থেকে টিম হোটেলে দল ফেরার পরই বেরিয়ে পড়েন। আইপিএলের আগে মাত্র সপ্তাহ খানেকের ছুটি পাচ্ছেন ক্রিকেটাররা। তাই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না কেউই। সামনে যে মাস দুয়েকের হাড়াভাঙা পরিশ্রম রয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন