ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে কেশপুরকে যুক্ত করার নির্দেশ মমতার, খুশি এলাকার মানুষ - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে কেশপুরকে যুক্ত করার নির্দেশ মমতার, খুশি এলাকার মানুষ

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে কেশপুরকে যুক্ত  করার নির্দেশ মমতার, খুশি এলাকার মানুষ

মেদিনীপুর: দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রথম ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শুরু হয়েছে। সেই মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে কেশপুরের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশে খুশি কেশপুরের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। জানা গিয়েছে, কেশপুর ব্লকের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসনও। ইতিমধ্যেই সেচদপ্তরের তরফে নানা ধরনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এমনকী কেশপুরে নদীর বাঁধ সংস্কারের কাজও হয়েছে। জানা গিয়েছে, কেশপুরে বন্যা পরিস্থিতি রুখে দিলে উপকৃত হবে প্রায় ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মানুষ। ফসলের ক্ষতির হাত থেকে বাঁচবেন কেশপুরের চাষিরা। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে কেশপুর যুক্ত হলে বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা তলানিতে নেমে আসবে। কেশপুরের বাসিন্দাদের কথায়, আগেও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সঙ্গে কেশপুরকে যুক্ত করার কথা উঠেছিল। সেই সময় কেশপুরের জন্য ইরিগেশন দপ্তর বিভিন্ন ধরনের কাজ শুরু করে। একইসঙ্গে একাধিকবার এনিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন নদী তীরবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। 


মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজও আমরা রূপায়ণ করেছি। কেশপুরকেও এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ শুরু হয়েছে, কিন্তু উদ্বোধন হয়নি। এরপর ফের জেলায় এসে উদ্বোধন করব। এদিন রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া বলেন, ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কেশপুরকে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের আওতায় আনা হয়েছে। দেশ স্বাধীনতা হওয়ার পর যে কাজ হয়নি, তা করে দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের ফলে উপকৃত হবেন কেশপুর সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। প্রসঙ্গত, গত বছর ঠিক দুর্গাপুজোর আগে টানা বৃষ্টির জেরে কেশপুর ব্লকে হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করে। কংসাবতী ছাড়াও কেশপুর ব্লকের কুবাই, তমাল ও পারাং নদী ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই একাধিক গ্রাম, চাষের জমি জলের তলায় চলে গিয়েছিল। বন্যার জল ঢুকতেই বহু মানুষ বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন। অনেকেই বাঁধের উপর কিংবা স্থানীয় স্কুলবাড়িতে থাকতে শুরু করেন। কেশপুর ব্লকের কলাগ্রাম, ভীমপুর, কানপুর সহ একাধিক এলাকায় ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ছিল। কেশপুর ব্লকের ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কমবেশি চাষের ক্ষতি হয়। বিশেষ করে কেশপুর ব্লকের ১১, ১২, ১৪, ১৫ ও ১০ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কংসাবতী নদী তীরবর্তী গ্রাম রয়েছে। এই গ্রামগুলোর বহু বাড়ি বন্যার জলে ভেঙে যায়। পুজোর আগে কেশপুরের বাজার অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকারের তরফে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান ঘোষণা হতেই ফের আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেন কেশপুরের মানুষ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন