ডাবের জলে ত্বকের যত্ন নেবেন কীভাবে? পড়ুন বিস্তারিত! ফল পাবেন - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫

ডাবের জলে ত্বকের যত্ন নেবেন কীভাবে? পড়ুন বিস্তারিত! ফল পাবেন

 


কলকাতা: প্রাকৃতিক ক্লেনজার হিসেবে খুব ভালো কাজে দেয় ডাবের জল। ত্বকের ভেতরে থাকা সবরকম ময়লা, তৈলাক্ত উপাদান দূর করে এটি। সাধারণত সব ধরনের ত্বকের জন্যই উপযুক্ত ডাবের জল। তবু অতিরিক্ত স্পর্শকাতর ত্বক যাদের, তারা অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করে ব্যবহার করুন। ত্বকের ময়লা দূর করতে গিয়ে ত্বকে থাকা স্বাভাবিক তেলের ভারসাম্য কখনওই নষ্ট করে না ডাবের জল। তার জন্যই এই জল প্রাকৃতিকভাবে এত উপকারী। 


ডাবের জল টোনার হিসেবে বা ফেস মিস্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। বাড়িতে যদি গোলাপ জল থাকে, তাহলেই হল। একভাগ গোলাপ জলের সঙ্গে একভাগ ডাবের জল মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে রেখে দিন। এর মধ্যে চাইলে দিতে পারেন দু’তিন ফোঁটা আপনার প্রিয় এসেনশিয়াল অয়েল। নিজের প্রয়োজনমাফিক ব্যবহার করুন। এই প্রাকৃতির টোনার ত্বক রাখবে টানটান। এর মধ্যে থাকা আর্দ্রতা এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ফ্রি র‌্যাডিক্যালস কমায়। 


অতিরিক্ত রোদ্দুরে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সময় এখন। সেই সান বার্ন থেকেও বাঁচাতে পারে ডাবের জল। এতে থাকা ভিটামিন সি রোদজ্বলা ত্বকের ক্ষতি কমায়। অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে বাঁচিয়ে ত্বকের কোষ তরতাজা করে। এই জলে ভিটামিন সি এবং মিনারেলের মধ্যে কপার থাকায় ত্বকে কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে। ত্বকের মসৃণ ও টানটান ভাব বজায় রাখতে এই কোলাজেনই সক্রিয় হয়। ডাবের জলে ভিটামিন সি থাকায় পিগমেন্টেশন বা কালো ছোপও দূর হয়। এগুলো কমলেই প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। ত্বকে অসময়ে বলিরেখা যাতে না আসে তার জন্য অল্প বয়স থেকেই রূপচর্চায় শামিল করে নিতে পারেন ডাবের জল। 


টোনারের পাশাপাশি এই জল ব্যবহার করতে পারেন ফেস মাস্ক হিসেবেও। এক চামচ মধু কিংবা হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে ডাবের জল মিশিয়ে তৈরি করে নিন ফেস মাস্ক। এটা ত্বকের আর্দ্রতা তো রক্ষা করবেই, সঙ্গে বাড়িয়ে তুলবে ঔজ্জ্বল্য। ব্যস্ততায় এত সব না পারলে শুধু ডাবের জলই হালকা করে মুখে দিতে পারেন। ত্বকের জ্বালাভাব দূর হবে নিমেষে। কেউ চাইলে ময়েশ্চারাইজের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ডাবের জল মিশিয়ে নিন। এই জল কয়েক ফোঁটা যোগ করতে পারেন ফেসিয়াল অয়েলেও। সবটাই আর্দ্রতা বাড়াতে সাহায্য করবে।  


এছাড়া যাঁদের অ্যাকনের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা লাল চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে মিশিয়ে নিন গুঁড়ো হলুদ এবং ডাবের জল। একটু ঘন পেস্ট তৈরি করে সেটা অ্যাকনের উপরে লাগিয়ে দিন। ক্রমশ কমে যাবে এই সমস্যা। 


ত্বকের মতো চুলের যত্নেও ভালো কাজ দেয় ডাবের জল। এতে চুল পড়া কমানো যায়। স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে মাথার ত্বকের পুষ্টির দিকেও খেয়াল রাখে এই জল। শ্যাম্পু করার আগে ডাবের জল দিয়ে হালকা মাসাজ করে নিন স্ক্যাল্পে। নারকেল তেলের মতো এটা চটচটেও হবে না। এতে হেয়ার ফলিকলও শক্তিশালী হবে। ডগা থেকে চট করে ভেঙে যাবে না। এছাড়া রুক্ষ চুলের যত্নেও ডাবের জল বেশ কাজে দেয়। এই জল দিয়ে নিয়মিত যত্ন করলে চুল নরম ও উজ্জ্বল হয়।


ডাবের জলে রয়েছে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। স্ক্যাল্পে কোনও র‌্যাশ, খুশকি অথবা সংক্রমণ থেকে হেয়ার লস হয়। ডাবের জল দিয়ে চুল ও স্ক্যাল্প ধুয়ে নিলে এই সমস্যাও কমানো সম্ভব। এক্ষেত্রে একটা বাটিতে সমপরিমাণ অ্যাপেল সিডার ভিনিগারের সঙ্গে ডাবের জল মেশাতে হবে। এই মিশ্রণ স্ক্যাল্প ও চুলের ডগা পর্যন্ত বুলিয়ে দিন। এক মিনিট মতো রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন