বিষ্ণুপুর: বিষ্ণুপুরের মতিচুরের লাড্ডু জিআই স্বীকৃতি পেতেই এর মূল উপকরণ পিয়াল ফলের বীজের খোসা ছাড়ানোর মেশিন বসাতে উদ্যোগী হয়েছে মহকুমা প্রশাসন। মঙ্গলবার শহরের মিষ্টি ব্যবসায়ীরা পিয়াল ফলের বীজ বাইরে থেকে আমদানি করতে বাড়তি খরচের কথা মহকুমা শাসকের কাজে জানান। এরপরেই মেশিনের খোঁজ শুরু হয়। ওই মেশিন মহকুমা শাসকের অফিস চত্বরে কোনও একটি ঘরে বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যবসায়ীরা নিজেদের চাহিদা মতো পিয়াল ফল এনে ওই মেশিনে তার খোসা ছাড়াতে পারবেন। বনদপ্তরের মাধ্যমে এলাকার জঙ্গলে পিয়াল গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। মহকুমা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শহরের মিষ্টি ব্যবসায়ীরা।
বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, মতিচুরের লাড্ডু জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। তার প্রচার ও প্রসারের জন্য করণীয় সম্পর্কে আমরা মিষ্টি ব্যবসায়ীদের থেকে মতামত নিয়েছি। তাঁরা পিয়াল বীজের আমদানি এবং খোসা ছাড়ানোর সমস্যার কথা আমাদের কাছে জানিয়েছেন। সেই মতো এখানেই যাতে খোসা ছাড়ানোর মেশিন বসানো যায় তার চেষ্টা চালাচ্ছি। পিয়াল গাছও যাতে এলাকায় বেশি সংখ্যায় লাগানো হয়, সে ব্যাপারে বনদপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
বিষ্ণুপুর মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বেচু দত্তমোদক বলেন, বর্তমানে পিয়াল বীজের বেসন বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। ঝাড়খণ্ডের কিছু কিছু জায়গায় তা পাওয়া যায়। মতিচুরের লাড্ডুর গুণমান এবং সাধারণের নাগালের মধ্যে দাম রাখতে গেলে পিয়াল বীজের সহজলভ্যতা এবং খোসা ছাড়ানোর মেশিনের প্রয়োজন। আমাদের প্রস্তাবে মহকুমা প্রশাসন সাড়া দিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন