মাছ বিক্রি চলবে না, সি আর পার্কে গেরুয়া ফতোয়া, ‘নয়া তাণ্ডবে’ তোলপাড় বাঙালি পাড়া - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৫

মাছ বিক্রি চলবে না, সি আর পার্কে গেরুয়া ফতোয়া, ‘নয়া তাণ্ডবে’ তোলপাড় বাঙালি পাড়া

 


নয়াদিল্লি: কথায় বলে, মাছে-ভাতে বাঙালি! মৎস্যপ্রিয় বাঙালির পাত থেকে সেই মাছই এবার তুলে দিতে তৎপর বিজেপি। আর সেটা সামনে মন্দির থাকার অজুহাতে! দিল্লিতে ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যেই জারি হল গেরুয়া ফতোয়া—মাছ বিক্রি করা যাবে না। রাজধানীর বাঙালি মহল্লা চিত্তরঞ্জন পার্কে (সি আর পার্কে) বিজেপির এহেন ‘নয়া তাণ্ডবে’ রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। দিশাহারা হয়ে পড়েছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। প্রশ্ন উঠছে, কে কী খাবেন কিংবা পরবেন সেটাও ঠিক করে দেবে কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দল? বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক মাত্রাছাড়া হওয়ায় ব্যাকফুটে বিজেপি। তড়িঘড়ি বিবৃতি দিয়েছে দলের প্রদেশ কমিটি, ‘মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষা করা অবশ্য কর্তব্য। সি আর পার্কের মৎস্য ব্যবসায়ীরা বরাবর তা রক্ষা করে এসেছেন। যেখানে তাঁরা মাছ বিক্রি করেন, সেই জায়গা আইনগতভাবেই তাঁদের দেওয়া হয়েছে।’

সি আর পার্কের এক নম্বর মার্কেটের মাছ বাজারের বয়স প্রায় ৭০ বছর। সংলগ্ন কালীমন্দিরটিও প্রায় সমসাময়িক। যদিও সেই মন্দিরের সামনে মাছের বাজার থাকায় হিন্দু ধর্মের পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে বলে জারি হয়েছে গেরুয়া ফতোয়া। বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। মঙ্গলবার সি আর পার্ক মাছ বাজারে গেরুয়া পাঞ্জাবি পরা দুই যুবকের হুমকির ভিডিও তিনি পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ওই ভিডিওয় অভিযুক্তদের বলতে শোনা গিয়েছে, ‘মন্দির সংলগ্ন মাছের বাজার বন্ধ রাখতে হবে। সনাতন ধর্ম কোনও প্রাণীকে হত্যার অনুমতি দেয় না।’

 তৃণমূল সাংসদের পোস্ট করা এই ভিডিওকে অবশ্য ভুয়ো বলে দাবি করেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, সি আর পার্কের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। সেকথা উড়িয়ে দিয়েছেন মহুয়া। তবে বিজেপির প্রদেশ কমিটির ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টাকে উপেক্ষা করে বুধবার সকালেই ফের এলাকায় গিয়ে একই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে খবর। স্থানীয়দের দাবি, বিগত প্রায় সাত দশকে এমন ঘটনা ঘটেনি। ব্যবসা করতে কোনও বাধার সম্মুখীন হতে হয়নি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন