নয়াদিল্লি: স্ত্রীকে খুন করে বিছানার চাদরে মুড়ে দিল্লি শহরের নর্দমায় ফেলে দিয়েছিলেন স্বামী। প্রাথমিকভাবে মৃত মহিলার পরিচয় জানতে গিয়ে সমস্যায় পড়ে পুলিস। শেষ পর্যন্ত মৃতার নোজ পিনের (নাকছাবি) সূত্র ধরেই তাঁর স্বামীর সন্ধান মেলে। পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে দিল্লির বাসিন্দা ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। খুনে সাহায্য করায় তাঁর এক নিরাপত্তা রক্ষীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনিল কুমার নামে ওই অভিযুক্ত পেশায় ব্যবসায়ী। কী কারণে খুন করলেন, তার তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, ১৫ মার্চ নর্দমা থেকে এক মহিলার দেহ উদ্ধার হয়। চাদরে মুড়ে দেহটির সঙ্গে পাথর ও সিমেন্টের বস্তা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। মহিলার নাকছাবি নিয়ে খোঁজখবর শুরু করে পুলিস। জানা যায়, দক্ষিণ দিল্লির একটি গয়নার দোকান থেকে সেটি কেনা হয়েছিল। সেখান থেকেই জানা যায় অনিল সেটি কিনেছিলেন। বর্তমানে তিনি গুরুগ্রামের ফার্ম হাউসে থাকেন। এরপরই জানা যায়, মৃত মহিলার নাম সীমা সিং (৪৭), তিনি অনিলের স্ত্রী।
পুলিস অনিলের বাড়িতে গেলে তিনি জানান, সীমা ফোন না নিয়েই বৃন্দাবনে বেড়াতে গিয়েছেন। এতে পুলিসে সন্দেহ আরও বাড়ে। এরপর পুলিস অনিলের দ্বারকার অফিসে গিয়ে সীমার মায়ের ফোন নম্বর পায়। ফোন করে জানা যায়, তাঁদের সঙ্গেও ১১ মার্চ থেকে সীমার কোনও যোগাযোগ নেই। এরপর উদ্ধার হওয়া দেহটি সীমার বলে শনাক্ত করেন পরিজনরা। ময়নাতদন্তে জানা গিয়েছে, শ্বাসরোধ করে সীমাকে খুন করা হয়।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন