জয়পুর: বিপক্ষ দলের কোচ তো কী হয়েছে। ‘মহাগুরু’ রাহুল দ্রাবিড়কে দেখেই এগিয়ে এলেন বিরাট কোহলি। হাঁটু মুড়ে বসে আলিঙ্গনও সারলেন। আসলে দ্রাবিড়ের পা ভেঙেছে। অটোমেটিক হুইল চেয়ারে বসেই কোচিং করাচ্ছেন তিনি। মিস্টার ডিপেন্ডেবল কবে উঠে দাঁড়াবেন বলা কঠিন, তবে ঘরের মাঠে রবিবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকায় উপরের দিকে উঠে আসার সুযোগ রয়েছে রাজস্থান রয়্যালসের সামনে। গত ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে গুজরাতের কাছে হাaরতে হয়েছিল রাজস্থানকে। আসলে ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল ছন্দে নেই। ফলে পরের দিকের ব্যাটসম্যানরা চাপে পড়ে যাচ্ছেন। ক্যাপ্টেন সঞ্জু স্যামসন অবশ্য চেষ্টা করছেন সেরা পারফরম্যান্স মেলে ধরার। নীতীশ রানা কিংবা রিয়ান পরাগের খেলাতেও ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট। তাই আরসিবি’র বিরুদ্ধে জয়ের কড়ি জোগাড় করতে হলে রাজস্থানের ব্যাটারদের ছন্দে ফেরা জরুরি।
এই ম্যাচে আকর্ষণের কেন্দ্রে অবশ্য বিরাট কোহলিই। আরসিবি’র হয়ে তিনি ওপেন করছেন ফিল সল্টের সঙ্গে। ইংল্যান্ডের ব্যাটারটি মূলত পাওয়ার প্লে’তে ফিল্ডিংয়ের সীমাবদ্ধতার সুযোগ নিয়ে চার-ছক্কা হাঁকান। দ্রুত গতিতে রান তুলে চাপ বাড়ান বিপক্ষ দলের বোলারদের উপর। তার সঙ্গে বিরাট কোহলিও চালিয়ে খেললে সমূহ বিপদ রাজস্থানের। এই দুই ব্যাটারকে দ্রুত ফেরানোই প্রধান চ্যালেঞ্জ সঞ্জু স্যামসন ব্রিগেডের। এক্ষেত্রে রাজস্থানের বড় অস্ত্র জোফ্রা আর্চার। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়ার ব্যাপারে ইংরেজ পেসারটি যথেষ্ট দক্ষ। তাই বিরাট-আর্চারের দ্বৈরথ গোলাপি শহরে উত্তাপ বাড়াবে। আরসিবি’র পরের দিকের ব্যাটসম্যানরাও কম যান না। ক্যাপ্টেন রজত পাতিদার, দেবদূত পাদিক্কাল কিংবা টিম ডেভিড ঝোড়ো গতিতে রান তুলতে পারেন।
আরসিবি’র বোলিং খুব খারাপ নয়। জস হ্যাজলউডের মতো পেসার নতুন বলে ঝটকা দিতে সক্ষম রাজস্থানকে। সেই সঙ্গে যশ দয়াল ও ভুবনেশ্বর কুমার আছেন। তবে দয়ালের সমস্যা হল, তিনি চাপের মুখে প্রচুর রান দেন। গত ম্যাচেও সেই কারণে হারতে হয়েছিল বেঙ্গালুরুকে। ক্যাপ্টেন রজতের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন কোহলি। আসলে তিনি আইপিএল ট্রফির স্বাদ পেতে মরিয়া।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন