চেন্নাই: চলতি আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের দুরন্ত ফর্ম অব্যাহত। জয়ের হ্যাটট্রিকে টেবিলের শীর্ষস্থানে উঠে এল অক্ষর প্যাটেলের দল। তিন ম্যাচে তাদের ঝুলিতে ৬ পয়েন্ট। শনিবার মহেন্দ্র সিং ধোনিদের ডেরায় রীতিমতো কর্তৃত্ব করল রাজধানীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ধুঁকতে থাকা চেন্নাই সুপার কিংসকে তারা হারাল ২৫ রানে। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে দিল্লির সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৮৩। জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে চেন্নাই আটকে যায় ১৫৮ রানে। ৫১ বলে ৭৭ রানের দুরন্ত ইনিংসের সুবাদে ম্যাচের নায়ক কেএল রাহুল।
অন্যদিকে, শনিবার চিপকে ম্যাচ দেখতে উপস্থিত ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনির বাবা-মা। কিন্তু তাঁদের সামনে দলের হারের হ্যাটট্রিক এড়াতে পারলেন না ছেলে। ব্যাট হাতে অবশ্য ধোনি মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছিলেন। শেষদিকে একটি চার ও একটি ছক্কা সহ ২৬ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন মাহি। মূলত টপ অর্ডারের ব্যর্থতাই ডোবাল চেন্নাইকে। রান তাড়া করতে নেমে ৭৪ রানে ৫ উইকেট খোয়ায় হোম টিম। দুই ওপেনার রাচীন রবীন্দ্র (৩) ও ডেভন কনওয়ে (১৩) চূড়ান্ত ব্যর্থ। তিনে নামা ক্যাপ্টেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের ব্যাট থেকেও ৫ রানের বেশি আসেনি। তবে ধাক্কা সামলে দলকে টেনে তোলার মরিয়া চেষ্টা করেন বিজয় শঙ্কর। তার জন্য অবশ্য দিল্লির উইকেটকিপার অভিষেক পোড়েলের বড় অবদান রয়েছে।
কারণ, শুরুতেই মিচেল স্টার্কের ইয়র্কার পায়ে লেগেছিল বিজয়ের। আম্পায়ার আউট না দেওয়ায় রিভিউ নিতে যাচ্ছিলেন ক্যাপ্টেন অক্ষর। কিন্তু পোড়েল ইশারা করেন যে, বল প্যাডে লাগার আগে ব্যাটের কানা ছুঁয়েছে। তাই আর রিভিউ নেননি দিল্লি ক্যাপ্টেন। পরে দেখা যায়, পরিষ্কার এলবিডব্লু ছিলেন বিজয়। এরপরেই পোড়েলকে কিপিং থেকে সরিয়ে কেএল রাহুল গ্লাভস হাতে তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত সেই বিজয় শঙ্করই ৫টি চার ও ১টি ছক্কা সহ ৫৪ বলে অপরাজিত ৬৯ রানের ইনিংস খেলেন। তবে তা দলকে জেতানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খেয়েছিল দিল্লিও। খাতা খোলার আগেই ওপেনার জেক ফ্রেজারকে ডাগ আউটে ফেরান খলিল আহমেদ। তবে প্রাথমিক এই ধাক্কা সামলে দেন রাহুল। দিল্লির তারকা ব্যাটারের ৭৭ রানই শক্ত ভিত গড়ে দেয়। তাঁর ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা। অভিষেক পোড়েলও ২০ বলে ৩৩ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন। এছাড়া রান পেয়েছেন অক্ষর প্যাটেল (২১), সমীর রিজভি (২০) ও স্ট্রিস্টান স্টাবস (২৪)। চেন্নাইয়ের সফলতম বোলার খলিল আহমেদ দু’টি উইকেট নিয়েছেন। একটি করে শিকার জমা পড়েছে জাদেজা, নুর ও পাথিরানার ঝুলিতে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন