বেঙ্গালুরু: বিরাট কোহলি বনাম মিচেল স্টার্ক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচের প্রধান আকর্ষণ দুই মহাতারকার লড়াই। স্টার্কের বিরুদ্ধে ভিকে’র রেকর্ড বেশ ভালো। টি-২০ ক্রিকেটে বাঁ-হাতি অজি পেসারের ৩১ বলে তিনি করেছেন ৭২। তবে চলতি আইপিএলে স্টার্ক রয়েছেন দারুণ ছন্দে। মাত্র ১১ গড়ে তিনি নিয়েছেন ৯টি উইকেট। কোনও সন্দেহ নেই, স্টার্ক-কোহলির দ্বৈরথের উপর অনেকটাই নির্ভর করছে ম্যাচের গতিপথ।
এই মুহূর্তে তিন ম্যাচের প্রতিটিতেই জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে দিল্লি। অক্ষর প্যাটেলের দল রীতিমতো দুর্দান্ত ছন্দে। বেঙ্গালুরু জিতেছে তিনটি ম্যাচ, হেরেছে একটিতে। রজত পাতিদারদের অবস্থান তিন নম্বরে। তবে চলতি আসরে ঘরের মাঠে একটি ম্যাচ খেলে তাতেই হেরেছে আরসিবি। সেই ম্যাচে গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ১৬৯ রানেই থমকে গিয়েছিল তারা। মহম্মদ সিরাজের সুইংয়ের সামনে অসহায় দেখিয়েছিল হোমটিমকে। দিল্লির স্টার্কও তেমন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবেন না তো, আশঙ্কা থাকছেই আরসিবি শিবিরে। বাস্তব হল, চিন্নাস্বামীর বাইশ গজ নিয়ে ধন্দে রয়েছেন খোদ পাতিদাররাই। জস হ্যাজলউড, ভুবনেশ্বর কুমারের মতো পেসার তাঁদেরও রয়েছে। আর সেটাই স্বস্তি দিচ্ছে সমর্থকদের।
বিরাট বনাম স্টার্কের মতো এই ম্যাচ লোকেশ রাহুল বনাম হ্যাজলউডেরও। মিডল অর্ডার থেকে ওপেনিংয়ে প্রমোশনের পর চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৫১ বলে ৭৭ করেন কেএল। তবে তাঁর সঙ্গী ওপেনার জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক তিন ইনিংসে করেছেন মোটে ৩৯। ক্যাপ্টেন অক্ষর ছাড়া দিল্লির ব্যাটিং নির্ভর করছে ট্রিস্টান স্টাবস, অভিষেক পোড়েল, আশুতোষ শর্মা, সমীর রিজভিদের উপরেও। রাজধানীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটির স্পিন আক্রমণ আবার বেঙ্গালুরুর তুলনায় ধারালো। অক্ষরের পাশাপাশি আছেন কুলদীপ যাদবও। মাত্র ৬ ইকনমি রেটে এখনও পর্যন্ত ৬ উইকেট পেয়েছেন চায়নাম্যান স্পিনার। অন্যদিকে, আরসিবি’র স্পিন বিভাগ নির্ভরশীল ক্রুণাল পান্ডিয়ার উপরে। রয়েছেন সুয়াশ শর্মাও।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন