কাটোয়া: তাপপ্রবাহ
চলছে। সারাদিন লু বইছে। গরমের হাত থেকে খুদে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে
কাটোয়ার হরিপুর মাঝিপাড়া প্রাথমিক স্কুলে মিড-ডে মিলের সঙ্গে তরমুজ ও শসা
দেওয়া শুরু করলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাঁরা নিজেদের খরচেই পড়ুয়াদের দুপুরে
তরমুজ খাওয়ানো শুরু করেন। প্রতিদিন ভাতের পর তরমুজ পেয়ে খুশি পড়ুয়ারাও।
প্রধান
শিক্ষক কৌশিক দে বলেন, ছোটো ছোটো পড়ুয়াদের শরীর ঠিক রাখতে এধরনের ফল খাওয়া
দরকার। এখনও গরমের ছুটি পড়েনি। তাই মিড ডে মিলে ডাল, ভাত, সব্জির সঙ্গে
পড়ুয়াদের আমরা তরমুজ, শশা খাওয়াচ্ছি। তরমুজ আমরা নিজেরাই সাধ্যমত চেষ্টা
করে কিনে আনছি।
কাটোয়া -১ ব্লকের পশ্চিম চক্রের অধীনে থাকা হরিপুর
মাঝিপাড়া প্রাথমিক স্কুলটি শিশু থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত রয়েছে।
সর্বসাকুল্যে মোট ৩২ জন পড়ুয়া রয়েছে। আর দুই শিক্ষিকা এক একজন শিক্ষক
রয়েছেন। গরমে পড়ুয়াদের দুর্বল হয়ে পড়া, ক্লান্তি রুখতেই এই উদ্যোগ বলে
জানান শিক্ষকরা। তাই পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে তাদের তরমুজ খাওয়ানোর
উদ্যোগকে অভিভাবকরাও সাধুবাদ জানান। প্রত্যেক দিন দুপুরে ভাত, ডাল ও সব্জির
পাশাপাশি যখন লাল টুকটুকে ঠান্ডা তরমুজের টুকরো বা শসা পরিবেশন করা হচ্ছে,
তখন পড়ুয়াদের মুখে হাসি ফুটছে। তাছাড়া সারা রাজ্যজুড়ে যখন মিড-ডে মিলের
মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে তখন এই স্কুলের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান
শিক্ষানুরাগীরাও। খাদ্যতালিকায় এই বাড়তি সংযোজন তাদের গরমের মধ্যে কিছুটা
হলেও স্বস্তি দিচ্ছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন