নয়াদিল্লি: লাদাখের ঠান্ডা-শুষ্ক আবহাওয়ায় মাথা তুলে দাঁড়িয়ে একটি স্কুল। আমির খানের ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার দৌলতে দ্রুক পদ্ম কার্পো স্কুল এখন বিখ্যাত ‘র্যাঞ্চোর স্কুল’ নামে। তবে এতদিন এ স্কুল ছিল জম্মু ও কাশ্মীর স্টেট বোর্ড (জেকেবোস) স্বীকৃত। সিবিএসই-র স্বীকৃতি চেয়ে বহুদিন ধরে দরবার করে চলেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অবশেষে সুদিন ফিরতে চলেছে সেই স্কুলের। প্রতিষ্ঠার দু’দশক পেরিয়ে সিবিএসই স্বীকৃতি পেল স্কুলটি। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে কেন্দ্রীয় বোর্ডের অনুমোদন মেলায় খুশিতে মেতেছেন স্কুলের পড়ুয়া থেকে শুরু করে শিক্ষিক-শিক্ষিকা ও স্থানীয় বাসিন্দারাও। এবার একাদশ-দ্বাদশের পঠনপাঠন শুরুর তোড়জোড় শুরু করেছে স্কুল। স্কুলের প্রিন্সিপাল মিঙ্গুর আংমো বলেন, ‘শেষপর্যন্ত আমরা সিবিএসই-র অনুমোদন পেলাম।’ প্রিন্সিপাল জানান, সমস্ত পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও পদ্ধতিগত কারণে সিবিএসই-র ছাড়পত্রের বিষয়টি আটকে ছিল। নিয়মানুযায়ী, সিবিএসই-র অনুমোদন পেতে গেলে আগে রাজ্য সরকার স্বীকৃত বোর্ডের ছাড়পত্র প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে জম্মু ও কাশ্মীর স্টেট বোর্ডের (জেকেবোস) ছাড়পত্র না মেলায় সিবিএসই-র স্বীকৃতি মিলছিল না। তিনি আরও জানান, লাদাখকে কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল ঘোষণার আগে থেকেই সিবিএসই-র অনুমোদনের চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে স্কুল। জেকেবোস থেকে সিবিএসইতে উন্নীত হতে শিক্ষাসূচীতেও বদল হয়েছে। সেজন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, ষোড়শ শতকের স্থানীয় বুদ্ধিজীবী মিপহাম পেমা কার্পোর (১৫২৭-১৫৯২) নামে এই স্কুল ২৪ বছর আগে প্রতিষ্ঠা হয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন