নয়াদিল্লি: সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন এম এ বেবি। এর ফলে সিপিএমের রাশ থাকছে কট্টরপন্থী কেরল লবির হাতেই। রবিবার তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ে দলের ২৪ তম পার্টি কংগ্রেসের শেষদিনে এম এ বেবিকেই সিপিএমের শীর্ষতম নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। পার্টি কংগ্রেস শুরুর আগে এই পদে সিপিএমের পশ্চিমবঙ্গ সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের নাম নিয়েও জল্পনা ছড়িয়েছিল। যদিও দলের সম্মেলনে বাংলার কোনও নাম আর আলোচনাতেই আসেনি। মাদুরাই থেকে দলীয় সূত্র জানিয়েছে যে, রবিবার দলের শীর্ষতম নেতা হিসেবে দু’জনের নাম নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। একজন এম এ বেবি। অন্যজন প্রবীণ কৃষক নেতা অশোক ধাওয়ালে। শেষমেশ অবশ্য বেবির নামেই সিলমোহর পড়ল। পলিটব্যুরোতে স্থান পেয়েছেন ধাওয়ালের স্ত্রী মরিয়মও।
২৪ তম পার্টি কংগ্রেস শেষে ৮৫ জনের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ১৮ জনের পলিটব্যুরো ঘোষণা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটিতে একটি সদস্য আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে। বয়সের কারণেই কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন প্রকাশ কারাত, বৃন্দা কারাত, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের মতো হেভিওয়েটরা। তবে এই নিয়ম খাটেনি দেশের একমাত্র বাম শাসিত রাজ্য কেরলের ক্ষেত্রে। বয়স ৭৫ বছর পেরিয়ে গেলেও ব্যতিক্রম হিসেবেই সিপিএমের পলিটব্যুরো এবং কেন্দ্রীয় কমিটিতে রেখে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে। কেন্দ্রীয় কমিটিতে নেই সূর্যকান্ত মিশ্রও। মানিক সরকার, প্রকাশ কারাত, বৃন্দা কারাত, সুভাষিনী আলিকে কেন্দ্রীয় কমিটির বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। সিপিএমের বঙ্গ ব্রিগেডের ‘প্রাপ্তি’ কী? পলিটব্যুরোতে নতুন অন্তর্ভুক্তি শ্রীদীপ ভট্টাচার্যের। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাংলা থেকে নতুন স্থান পেয়েছেন পাঁচজন। দলের যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, মহিলা সমিতির রাজ্য সম্পাদক কণীনিকা ঘোষ, সমন পাঠক, দেবব্রত ঘোষ এবং সৈয়দ হোসেন। ঘটনাচক্রে শেষোক্ত তিনজন এই মুহূর্তে যথাক্রমে দার্জিলিং, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানের সিপিএম জেলা সম্পাদক।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন