চিকিৎসকের মৃত্যু রহস্য! সিআইডিকে তদন্তভার তুলে দিল ডিভিশন বেঞ্চ - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫

চিকিৎসকের মৃত্যু রহস্য! সিআইডিকে তদন্তভার তুলে দিল ডিভিশন বেঞ্চ

চিকিৎসকের মৃত্যু রহস্য! সিআইডিকে তদন্তভার তুলে দিল ডিভিশন বেঞ্চ

কলকাতা: মাথায় দামি হেলমেট সত্ত্বেও গুরুতর আঘাতের চিহ্ন! সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এক দন্ত চিকিৎসকের মৃত্যু রহস্য ভেদ করতে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।


গত বছর ২৪ জুন দুর্গাপুর চণ্ডীতলা থানা এলাকার অন্তর্গত দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে দন্ত চিকিৎসক অমর্ত্য ঘোষালের দেহ মেলে। ২০২২ সালে বর্ধমান ডেন্টাল কলেজ থেকে বিডিএস করার পর বারুইপুরে একটি চেম্বার খুলেছিলেন তিনি। পূর্ব কলকাতা টাউনশিপ এলাকার বাসিন্দা অমর্ত্য যাদবপুর থানা এলাকার বাসিন্দা পৌলমী দাস নামে এক মহিলার সঙ্গে যৌথভাবে ওই চেম্বার চালাতেন। ঘটনার দিন চিকিৎসক ওই মহিলাকে বাইকে নিয়ে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে ধরে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিলেন। সাড়ে সাতটা নাগাদ রাস্তার ধারে অমর্ত্য ও পৌলমীকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। চিকিৎসকের পরিবারের অভিযোগ, হেলমেট পরা সত্ত্বেও অমর্ত্যর মাথায় ছিল গুরুতর আঘাত। বামদিকে ভ্রূর উপর থেকে মাথার হাড় দু’টুকরো হয়ে ফেটে গিয়েছিল। দুই হাতের কনুই ও ঊরুর কাছেও ছিল গুরুতর আঘাত।

 অভিযোগ, অমর্ত্যর দেহে এত আঘাতের চিহ্ন থাকা সত্ত্বেও পৌলমী ছিলেন অক্ষত। অথচ তিনি হেলমেটও পরেননি। চণ্ডীতলা থানার বিরুদ্ধে অমর্ত্যর বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, সাড়ে সাতটার সময় দেহ পাওয়া গেলেও দু’ঘণ্টা পরে অমর্ত্যকে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পরিবারের আরও অভিযোগ, পৌলমীর দেহে আঘাত না থাকা সত্ত্বেও তড়িঘড়ি তাঁকে অন্য আরেকটি হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিস। 

এই ঘটনায় চণ্ডীতলা থানা প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করলেও পরে অমর্ত্যর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ৩০২ ধারায় খুনের মামলা রুজু করে পুলিস। কিন্তু অভিযোগ, কার্যত কোনও তদন্তই করেনি পুলিস। এবং শেষে নিম্ন আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্টে পুলিস উল্লেখ করে এটি খুনের ঘটনা নয়, ‘মিসটেক অব ফ্যাক্ট’ বশত খুনের মামলা রুজু হয়েছিল। এরপরই পুলিসি রিপোর্টকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অমর্ত্যর বাবা-মা। কিন্তু প্রথমে মামলাটি খারিজ করে দেয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার সিঙ্গল বেঞ্চ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন