নয়াদিল্লি: হরিয়ানার গুরগাঁওয়ের শিখোপুরের জমি লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর স্বামী তথা ব্যবসায়ী রবার্ট ওয়াধেরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করল ইডি। আজ, মঙ্গলবার দিল্লিতে ইডির দপ্তরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। তার আগে কংগ্রেস নেত্রীর স্বামীকে সমন পাঠায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার ভিত্তিতেই এদিন হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। যদিও এই মামলাটির কোনও গুরুত্ব নেই বলেই দাবি করেছেন রবার্ট। পুরোটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত বলে বলে দাবি রবার্টের।
যদিও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, শিখোপুরের জমি লেনদেনে আর্থিক তছরুপ হয়েছে। তাই সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ডাকা হয়েছিল রবার্ট ওয়াধেরাকে। এদিন সমন পেয়েই দিল্লিতে নিজের বাসভবন থেকে বেরিয়ে পায়ে হেঁটেই ইডির দপ্তরে যান তিনি। সেখানে তাঁকে প্রায় তিনঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ইডির দপ্তর থেকে বেরিয়েই রবার্ট বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি সরকার ও তাঁর নীতির বিরুদ্ধে কথা বললেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি তাঁকে সমন পাঠায়। এই মামলার কোনও সারবত্তা নেই। বিগত ২০ বছর ধরে এই মামলার জন্য আমাকে কমপক্ষে ১৫ বার ডাকা হয়েছে। আর প্রত্যেকবারই দশঘণ্টার বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ইডির কাছে এই মামলা সংক্রান্ত ২৩ হাজার পাতার নথি জমা দিয়েছি। পুরোটাই রাজনৈতিক কারণে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপব্যবহার চলছে। ওরা চাইছে আমাকে চুপ করাতে, যেভাবে রাহুলকে সংসদে করে রেখেছে। যখনই আমি মানুষের পক্ষে কথা বলি, তখনই ওরা আমার কণ্ঠস্বর রোধের চেষ্টা করে। প্রত্যেকবারই আমি ওদের সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকি, ভবিষ্যতেই দেব।’
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন