১২ ঘণ্টায় ১০৯ জন হৃদরোগীর অ্যাঞ্জিওগ্রাফি, বিরল নজির কল্যাণীর গান্ধী হাসপাতালে - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫

১২ ঘণ্টায় ১০৯ জন হৃদরোগীর অ্যাঞ্জিওগ্রাফি, বিরল নজির কল্যাণীর গান্ধী হাসপাতালে

মাত্র ১২ ঘণ্টায় ১০৯ জন হৃদরোগীর অ্যাঞ্জিওগ্রাফি, বিরল নজির কল্যাণীর গান্ধী হাসপাতালে

কল্যাণী: রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে নজির গড়লেন চিকিৎসকরা। মাত্র ১২ ঘণ্টায় ১০৯ জন হৃদরোগীর অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করল কল্যাণীর গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল। এই ধরনের বিরল কৃতিত্ব রাজ্যের কোনও সরকারি হাসপাতালে এই প্রথমবার। এমনটাই দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 


কল্যাণীতে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের হাসপাতাল এইমস। কিন্তু সেখানে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে চিকিৎসা হয় না। সাধারণ অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করতেও খরচ প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। রাজ্যের গরিব মানুষের পক্ষে সেই টাকা খরচ করা একপ্রকার অসম্ভব। আর রাজ্য সরকারের গান্ধী হাসপাতালে চিকিৎসা হয় বিনামূল্য। তাই এমনিতেই মাসে প্রায় ছয় শতাধিক রোগী রেফার হয়ে আসেন গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে। কারণ এই হাসপাতাল রাজ্যের একমাত্র হৃদরোগের হাসপাতাল। সম্প্রতি এইমস এবং অন্যান্য জায়গা থেকে হৃদরোগের চিকিৎসা করতে আসা রোগীদের মধ্যে অ্যাঞ্জিওগ্রাম করতে হবে এমন রোগীর সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। দিনের পর দিন রোগী ও পরিজনদের যাতে হয়রানির শিকার হতে না হয়, তাই একইদিনে ‘মেগা অ্যাঞ্জিওগ্রাফি’ করার সিদ্ধান্ত নেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সবমিলিয়ে এমন চিকিৎসা প্রার্থীর সংখ্যা পেরিয়ে যায় শতকের গণ্ডি। তবুও নিজস্ব পরিকাঠামোতে আস্থা রেখে একইদিনে সমস্ত অ্যাঞ্জিওগ্রাম করার কাজে হাত দেয় হাসপাতাল। 


হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চন্দন মিশ্রের নেতৃত্বাধীন একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। শুক্রবার সেই টিম সকাল থেকে শুরু করে পরীক্ষার কাজ। রীতিমতো নাওয়া খাওয়া ভুলে রাত আটটা পর্যন্ত চলে পরীক্ষা। দিনশেষে দেখা যায়, ১০৯ জন রোগীর অ্যাঞ্জিওগ্রাম করে ‘রেকর্ড’ করে ফেলেছেন তাঁরা। 


গান্ধী হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের দাবি, এমনিতে প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন রোগীর অ্যাঞ্জিওগ্রাফি হয়ে থাকে। কিন্তু এদিন এক ধাক্কায় প্রায় সাড়ে চারগুণ বেশি রোগীর পরীক্ষা করে অসাধ্য সাধন করে ফেলেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। রাজ্য সরকারের হাসপাতাল হওয়ার সুবাদে গোটা প্রক্রিয়াই বিনামূল্যে হয়েছে। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মোটামুটি ৫০ জন রোগীর ‘স্টেন’ বসানোর প্রয়োজন রয়েছে। আগামী সপ্তাহের সোমবার হাসপাতালে সেই অস্ত্রোপচারের কাজ হবে। সামগ্রিক বিষয়টি নিয়ে চিকিৎসক চন্দন মিশ্র বলেন, রোগীদের পরিষেবা দেওয়াই আমাদের কাজ। আমরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। একদিনে এত সংখ্যক অ্যাঞ্জিওগ্রাম শুধু গান্ধী হাসপাতাল কেন, রাজ্যের কোনও সরকারি হাসপাতালে আগে হয়নি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন