কাটোয়া: ভাঙা জমিদার বাড়ি। গা ছমছমে পরিবেশ। চারদিকে শাল-পিয়ালের ঘন জঙ্গল। আবার তার মাঝখানেই রয়েছে বনবাংলো থেকে আদিবাসী গ্রাম। লালমাটি লেপা বাড়ি কিংবা পুকুর, সবই রয়েছে আউশগ্রামের আদুরিয়ার জঙ্গলমহলে। এমন জঙ্গলেই ঘোড়া ছোটালেন রঘু ডাকাতরূপী দেব। মঙ্গলবার আদুরিয়ার জঙ্গলে শুরু হল বাংলার সব থেকে বড় বাজেটের ছবি ‘রঘু ডাকাত’-এর শ্যুটিং। দেব-দর্শনে সেখানে প্রচুর ভক্তদের ভিড় জমে। আর তা সামলাতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিসকে।
পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম-জঙ্গলমহল এখন সর্বভারতীয় শ্যুটিংয়ের সেরা ডেস্টিনেশন। এর আগে টলিউড ছাড়াও একাধিক বলিউডি ও তামিল ছবির শ্যুটিং হয়েছে কালিকাপুরের জঙ্গলে। বোলপুর লাগোয়া কালিকাপুরেই রয়েছে ভাঙা জমিদার বাড়ি। পাশেই রয়েছে আদুরিয়ার ঘন শাল-পিয়ালের জঙ্গল, মৌখিরার টেরাকোটা মন্দির, কালিকাপুরের ভাঙা জমিদার বাড়ি, ছোট ছোট আদিবাসী গ্রাম। সব যেন ঠিক ছবির মতো আঁকা! বারবার এমন প্রাকৃতিক প্রেক্ষাপটে চলচ্চিত্র নির্মাতারা আউশগ্রামকেই বেছে নেন। যেকোনও ছবির চিত্রনাট্যে যেসব উপাদানের প্রয়োজন, তার সবই মজুত রয়েছে আউশগ্রামে। তাই আউশগ্রাম এখন শ্যুটিং জোনে পরিণত হয়েছে। বলিউডের বড় বাজেটের একটি ভৌতিক ছবি তৈরি করতেও আউশগ্রামকেই বেছে নিয়েছিলেন এক পরিচালক।
রঘু ডাকাত নিয়ে দেব আগেই বিগ বাজেটের সিনেমা তৈরির কথা জানিয়েছিলেন। এবার আদুরিয়ার সেই ঘন জঙ্গলে কুচকুচে কালো ঘোড়া ছোটালেন রঘু ডাকাতের ভূমিকায় অভিনয় করা দেব। মাথায় পাগড়ি, পরনে ধুতি গুটিয়ে দেবকে রঘু ডাকাতের ভূমিকায় বেশ মানিয়েছে। এদিন আদুরিয়ার ঘন জঙ্গলের বিভিন্ন এলাকায় ঘোড়া ছোটানোর দৃশ্যগ্রহণ করা হয়।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন