রায়গঞ্জ:
বাড়িতে পাথর ছোঁড়ার প্রতিবাদ করে নেশাগ্রস্তের হাতে মার খেলেন এক গৃহবধূ ও
তাঁর কলেজ পড়ুয়া মেয়ে। অভিযোগ, বাড়িতে ঢুকে মারধর করে এক নেশাগ্রস্ত। তাতেই
গুরুতরভাবে জখম হন বধূ। ভর্তি রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। কপালে
আঘাত লেগেছে তাঁর মেয়েরও। আর এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে রায়গঞ্জ
শহরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের নেতাজি সুভাষ কলোনিতে ছড়ায় চাঞ্চল্য। আতঙ্কে রয়েছে
পরিবারটি। শেষমেশ রায়গঞ্জ থানার পুলিস ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার
রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার জানান, শনিবার রাতে নিগৃহীত পরিবারের
তরফে অভিযোগ দায়ের হয়। যার ভিত্তিতে পুলিস অয়ন সরকার নামে একজনকে গ্রেপ্তার
করেছে। যদিও এই ঘটনার ব্যাপারে বিন্দুবিসর্গ কিছুই জানেন না ২২ নম্বর
ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর তপন দাস। তাঁর বক্তব্য, এলাকায় কোনও নেশাগ্রস্তের
উপদ্রব প্রসঙ্গে আমার কিছু জানা নেই। তবে শহরে নেশাগ্রস্তদের উপদ্রব
প্রতিরোধ করতে প্রকাশ্যে নেশার সামগ্রী বিক্রি বন্ধ করুক পুলিস প্রশাসন।
পুলিস
ও স্থানীয় সূত্রে খবর, কোনও প্ররোচনা ছাড়াই অভিযুক্ত অয়ন নেশাগ্রস্ত
অবস্থায় নেতাজি সুভাষ কলোনির বাসিন্দা ওই বধূর বাড়িতে পাথর ছুঁড়তে থাকে।
ঘটনার প্রতিবাদ জানান ওই বধূ। নিগৃহীত পরিবারটির অভিযোগ, ক্ষিপ্ত হয়ে গিয়ে
টিনের ঘেরা ভেঙে বধূর বাড়িতে ঢোকে অভিযুক্ত অয়ন। যথেচ্ছভাবে বধূকে লাথি,
ঘুষি মারতে থাকে। ওই বধূর মাথা ফেটে যায়। মাকে বাঁচাতে গিয়ে মেয়েও মার
খায়।
এদিকে চিৎকার চেঁচামেচি শুনে এলাকার লোকজন চলে আসে। ঘটনাস্থল ছেড়ে
চলে যায় অভিযুক্ত। আহত বধূ ও তাঁর মেয়েকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন