কলকাতা: ‘নববর্ষ’ আর ’বাংলা দিবস’কে এক সূত্রে গেঁথে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছে তৃণমূল। রাজ্যজুড়ে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগকে আরও নিবিড় করার প্রচেষ্টা চালিয়েছেন তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি ও কংগ্রেস তাদের মতো করে কর্মসূচি পালন করেছে।
মঙ্গলবার নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা
জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথা ও সুরে নববর্ষের
একটি গান প্রকাশিত হয়। গানটি গেয়েছেন শিল্পী শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়।
একইসঙ্গে এই দিনটিকে ‘বাংলা দিবস’ হিসেবে পালন করেছে রাজ্য সরকার।
মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, বাংলা দিবসে সকল নাগরিকদের জানাই ‘শুভনন্দন’। আরও
বিকশিত হোক রাজ্যের ঐতিহ্যময় সংস্কৃতি, আরও সুদঢ় হোক রাজ্যবাসীর
ভ্রাতৃত্ব বন্ধন। নতুন বছরের পুণ্য আলোর দ্যুতিতে আলোকিত হোক সকলের
জীবন। শান্তি ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ থাকুক বাংলার প্রতিটি মানুষ।
বাংলার প্রতিটি মানুষ শান্তিতে থাকুন, ভালো থাকুন।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে
রাজ্যের ব্লক এবং পুর ওয়ার্ডগুলিতে ‘বাংলা দিবস’ উদযাপন করা হয়েছে। সমাজের
সব সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে প্রভাতফেরি, বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,
গুণীজন সংবর্ধনা, এলাকার প্রবীণ মানুষদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, দুঃস্থ মানুষদের
জামা-কাপড় ও খাবার প্রদান সহ নানাবিধ সামাজিক কর্মসূচিতে শামিল ছিলেন
তৃণমূল কর্মীরা। কলকাতা উত্তরের তেলেঙ্গাবাগান, মানিকতলা, লেকটাউন থেকে
দক্ষিণের রাসবিহারী, কসবা, ঢাকুরিয়া—সর্বত্র ‘বাংলা দিবস’ উপলক্ষ্যে
তৃণমূলের কর্মসূচি নজরে এসেছে। শহরতলিতে এবং সব জেলায়ও সারাদিন ব্যাপী এই
কর্মসূচি পালিত হয়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক
বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যারা ঘৃণা ও ধর্মীয় মেরুকরণের মাধ্যমে আমাদের
বিভক্ত করতে চায়, সেখানে বাংলার প্রতিষ্ঠা দিবসে ঐক্যবদ্ধ হই সম্প্রীতি ও
ঐক্যের চেতনায়। আমাদের ঐক্য আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আগামী বছর সকলের জন্য
আনন্দ, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য বয়ে আনুক।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন