কলকাতা: দ্বিতীয়ার্ধের সংযোজিত সময় চলছে। ম্যাচের ফল তখনও ১-১। নিজেদের বক্সের বাইরে ভুল পাস জামশেদপুরের প্রণয় হালদারের। তা ধরে অনিরুদ্ধ থাপা বল বাড়ালেন আপুইয়াকে। বক্সের বাইরে থেকে ঝলসে উঠল তাঁর ডান পা। কিচ্ছুটি করার ছিল না গোলরক্ষক আলবিনো গোমসের। চোখের পলক ফেলার আগে বল আছড়ে পড়ল জালে (২-০)। সোমবার মিজো ফুটবলারের দুরন্ত গোলেই সোনা ফলাল মোহন বাগান। তিনিই ম্যাচের সেরা। গ্যালারিতে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার পাশে বসে খুশিতে হাততালি দিয়ে উঠলেন ঋষভ পন্থ। সবুজ আবির এবং হাঁটু কাঁপানো গর্জনে তখন বিধ্বস্ত জামশেদপুর। যুবভারতীতে ফিরতি সেমি-ফাইনালে খালিদ ব্রিগেডকে হারিয়ে আইএসএল ফাইনালে মোহন বাগান। শনিবার এই যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেই সুনীল ছেত্রীদের বশ মানিয়ে ডাবল করার সুযোগ মোলিনা ব্রিগেডের সামনে।
প্রথম পর্বের সেমি-ফাইনালে ২-১ গোলে জেতে জামশেদপুর। মোহন বাগানের প্রত্যাবর্তনের জন্য দ্রুত গোল প্রয়োজন ছিল। ঘরের মাঠে পছন্দের ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে দল সাজান হোসে মোলিনা। চোট কাটিয়ে আপুইয়া ফিরলেও মনবীরকে শুরুতে পাওয়া যায়নি। তাই আশিক কুরুনিয়ানকে বাঁ প্রান্তে খেলিয়ে লিস্টনকে ডানদিকে ব্যবহার করা হয়। তবে প্রথমার্ধে খালিদের রক্ষণ ভাঙা সম্ভব হয়নি। সিঙ্গল স্ট্রাইকার জর্ডন মারেকে সামনে রেখে গোটা দলকেই রক্ষণে নামিয়ে আনেন তিনি। আলবার্তো, শুভাশিসরা মাঠমাঠ পর্যন্ত বিনা বাধায় উঠলেও ডিফেন্সের দেওয়ালে বারবার ধাক্কা খেলেন।
মোহন বাগান: বিশাল, আশিস, আলড্রেড, আলবার্তো, শুভাশিস, আপুইয়া, অনিরুদ্ধ থাপা, লিস্টন, কামিংস (পেত্রাতোস), আশিক (মনবীর) ও ম্যাকলারেন।
মোহন বাগান-২ : জামশেদপুর-০
(কামিংস, আপুইয়া)
* দু’লেগ মিলিয়ে ৩-২ জয়ী মোহন বাগান

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন