কাঁথি: জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের জন্য সোমবার থেকেই দীঘায় কঠোরভাবে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। অধিকাংশ হোটেলের রুম ভিআইপি এবং প্রশাসনের লোকজনের থাকার জন্য আগেই নেওয়া হয়েছে। ঝামেলা এড়াতে পর্যটকদের একাংশ নিশ্চিন্তে কাটাতে তাজপুর কিংবা মন্দারমণি পর্যটন কেন্দ্রের হোটেল-লজে ভিড় জমাচ্ছেন।
আগেই
২৮এপ্রিল অর্থাৎ সোমবার থেকে দীঘায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে
ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো সোমবার বিকেল
থেকে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। দীঘায় কোনও বড় গাড়ি সেভাবে ঢুকতে
দেওয়া হচ্ছে না। দীঘা ওয়েলকাম গেটের কাছে চেকপোস্ট বসিয়ে যান নিয়ন্ত্রণ
করা হচ্ছে। যাঁদের পাস রয়েছে তাঁরাই শুধুমাত্র গাড়ি নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে
পারছেন। বাকি পর্যটক বা অন্যান্য গাড়িগুলি বাইপাস রাস্তা দিয়ে ঘুরিয়ে
দেওয়া হচ্ছে। ওল্ড ও নিউ দীঘার বিভিন্ন জায়গায় পার্কিং পয়েন্টে ওইসমস্ত
গাড়ি রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সোমবার বিকেল পর্যন্ত দীঘায় খুব একটা
ভিড় দেখা যায়নি। সন্ধ্যার দিকে ওল্ড ও নিউ দীঘায় পর্যটকদের আনাগোনা লক্ষ্য
করা যায়। হোটেল মালিকদের একাংশ মনে করছেন, একদিকে ভিআইপিদের জন্য রুম
নেওয়া হবে বলে আগে থেকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি যান নিয়ন্ত্রণ চলছে।
সেকারণে ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে এই সময়টা এড়িয়ে যেতে চাইছেন পর্যটকদের বড় অংশ।
তাঁরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর জগন্নাথদেবকে দর্শন করতে চাইছেন। তাই
পর্যটকদের অনেকে মন্দারমণি-তাজপুরের দিকে ছুটছেন।
দীঘা-শঙ্করপুর
হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন,
৩০এপ্রিল মেগা ইভেন্ট। অনেক আগে থেকে যান নিয়ন্ত্রণ কিংবা প্রশাসন রুম
নেওয়ার কথা ঘোষণা করে দেওয়ায় ঝক্কির ভয়ে কিছু পর্যটক দীঘা এড়িয়ে চলছেন।
মন্দারমণি হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মমরেজ আলি ও তাজপুর
হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যামল দাস বলেন, এখানকার হোটেল-লজে
ভালো ভিড় রয়েছে। আশা করছি, আগামী দু’দিন ভিড় আরও বাড়বে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন