ওয়াশিংটন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির জেরে ধস নেমে যায় গোটা বিশ্বে। খোদ ওয়াল স্ট্রিটেই হু হু করে পড়তে থাকে একাধিক শেয়ারের সূচক। গোটা বিশ্বে ধাক্কা খায় বাণিজ্য। তখনই ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন ধনকুবেররা। বিশ্বে শীর্ষ স্থানে থাকা ধনকুবেরদের সম্পদ কমে যায় অনেকটাই। গত ৩ এপ্রিল বিশ্বের শীর্ষ ৫০০ ধনীর সম্পদমূল্য মোট ২০ বিলিয়ন ডলার কমে যায়। এর মাঝেই নতুন শুল্ক নীতি আপাতত ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করে দিয়েছেন ট্রাম্প। তারপরে ফের চাঙ্গা হয়েছে গোটা বিশ্বের শেয়ার বাজার। আর তার ফলে ফের বিশ্বের শীর্ষস্থানে থাকা ধনকুবেরদের সম্পদ বেড়ে গিয়েছে। কারণ তাঁদের কোম্পানিগুলির শেয়ারদর ফের বেড়ে গিয়েছে। তাই খোয়া যাওয়া সম্পদ ফিরে পেয়েছেন ওই ধনকুবেররা। আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন ফোর্বসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল, বৃহস্পতিবার(স্থানীয় সময়) বিশ্বের শীর্ষে থাকা ১০ ধনকুবেরের সম্পদ বেড়েছে অনেকটাই। সব মিলিয়ে তাঁদের মোট সম্পদ বেড়েছে ১৩১.৫ বিলিয়ন বা ১৩ হাজার ১৫৫ কোটি মার্কিন ডলার। আর সম্পদ বৃদ্ধির নিরিখে প্রথম স্থানে রয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এলন মাস্ক। তাঁর সম্পদের দর বেড়েছে ২৮.৩ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৮৩০ কোটি ডলার। যার ফলে তাঁর সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮০.৯ বিলিয়ন বা ৩৮ হাজার ৯০ কোটি ডলারে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আমাজন কর্তা জেফ বেজোস। ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতি স্থগিতের ফলে তাঁর সম্পদের দর বেড়েছে ১৮.৬ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৮৬০ কোটি ডলার। এর ফলে তাঁর সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৭.৭ বিলিয়ন বা ২০ হাজার ৭৭০ কোটি ডলারে। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন মেটা কর্তা মার্ক জুকারবার্গ। তাঁর নিট সম্পদের দর বেড়েছে ২৫.৭ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৫৭০ কোটি ডলার। এতে তাঁর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২০২.৬০ বিলিয়ন ডলার। চতুর্থ স্থানে থাকা ল্যারি এলিসনের সম্পদের দর ১৭.৯ বিলিয়ন ডলার বেড়ে যাওয়ার ফলে মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৭৪.৮ বিলিয়নে। এই সম্পদ বৃদ্ধির নিরিখে পঞ্চম স্থানে থাকা ওয়ারেন বাফেটও প্রচুর লাভ করেছেন। তাঁর সম্পদের দর ৮.১ বিলিয়ন ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে। যার ফলে মোট সম্পদ বেড়েছে ১৬১. ৮ বিলিয়ন ডলার।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন