কলকাতা: রবিবার রাজ্যের দুই প্রান্তে যোগ ও ন্যাচারোপ্যাথির প্রশিক্ষক পাঠ্যক্রমের পরীক্ষা হল। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা এবং দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত—মোট চার ঘণ্টা ধরে এই পরীক্ষা চলে। দক্ষিণবঙ্গে পরীক্ষা কেন্দ্র হয়েছিল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এবং উত্তরবঙ্গে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে।
প্রসঙ্গত, এই প্রথমবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এই পরীক্ষা হল। দুটি পরীক্ষা কেন্দ্র মিলিয়ে পরীক্ষায় বসেন ১০৭৯ জন (মেডিক্যালে ৮২৩ এবং উত্তরবঙ্গে ২৫৬ জন) ছাত্রছাত্রী। প্রসঙ্গত, রাজ্যের ৩০ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে এই একবছরের পাঠ্যক্রম পড়ানো হয়।
সাম্প্রতিককালে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের আওতায় এই পদে নিয়োগ শুরু হওয়ায় কদর বেড়েছে পাঠ্যক্রমটির। যদিও সরকারি ক্ষেত্রে অত্যন্ত কম ভাতা নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি। শুধু তাই নয়, পুরুষ এবং মহিলা যোগ ন্যাচারোপ্যাথিক প্রশিক্ষকের ভাতাও আলাদা। পুরুষ ট্রেনারদের মাসিক ভাতা ৮ হাজার টাকা। সেখানে মহিলাদের জন্য তা মাত্র ৫ হাজার টাকা। লিঙ্গভেদে কাজের সময়েরও ফারাক আছে। পুরুষদের যেখানে সপ্তাহে ৩০ ঘণ্টা ডিউটি করতে হয়, সেখানে মহিলাদের তা ২৫ ঘণ্টা।
এমন বৈষম্য কেন, তা জানতে চেয়ে ইতিমধ্যেই চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্য যোগ ও ন্যাচারোপ্যাথি কাউন্সিলের সভাপতি তুষার শীল। তিনি বলেন, আজকের দিনে এই ধরনের বৈষম্য অর্থহীন। ব্যাপারটা অসম্মানেরও বটে। তাই আগেই প্রতিবাদ জানিয়েছি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন