নয়াদিল্লি ও কলকাতা:পহেলগাঁও হামলার পর সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে বিরোধীরা। বিজেপি নেতাদের সুরেই কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসও বলেছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ছিনিয়ে নেওয়ার এটাই সেরা সময়।
পহেলগাঁওয়ের ঘটনায় বদলা হিসেবে পাক অধিকৃত
কাশ্মীর ছিনিয়ে আনার পক্ষে সওয়াল করেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত
রেড্ডি। রেবন্ত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সামনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী
ইন্দিরা গান্ধীর উদাহরণ রয়েছে। কীভাবে তিনি পাকিস্তানকে দু টুকরো করে
দিয়েছিলেন। একইভাবে এবার নরেন্দ্র মোদিও পাক অধিকৃত কাশ্মীর ছিনিয়ে আনুন।
পাকিস্তানকে শিক্ষা দিতে কেন্দ্রের যেকোনও উদ্যোগে পাশে থাকার বার্তা
আগেই দিয়েছে সোনিয়া গান্ধীর দল। তারা চাইছে, অযথা গড়িমসি না করে দ্রুত
পদক্ষেপ নিক কেন্দ্র। সাংসদ শশী থারুর বলেছেন, পহেলগাঁওয়ের ঘটনায়
নিরাপত্তার গাফিলতি তো ছিলই। গোয়েন্দা ব্যর্থতা তো হয়েইছে। তবে এখন
আমাদের লক্ষ্য আরও বড় হওয়া উচিত।. অর্থাৎ পাকিস্তানকে শিক্ষা দেওয়া।
একই
সুর শোনা গিয়েছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। ররিবার
তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের
আচরণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। পহেলগাঁওয়ের এই ন্যাক্কারজনক
সন্ত্রাসবাদী হামলার পিছনে থাকা ত্রুটিগুলি গভীরভাবে তদন্ত করার পরিবর্তে
তারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের স্বার্থে বেশি প্রচারে মনোযোগী।
অভিষেকের পরামর্শ, তুচ্ছ রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে এই বিষয়টিকে মোকাবিলা করার
সময় এসেছে। পাকিস্তানকে এখনই জবাব দেওয়ার সময়। তাঁর কথায়, এখন পাকিস্তানের
জন্য আর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক বা প্রতীকি হুমকির সময় নয়। তারা যে ভাষা
বোঝে, সেই ভাষাতেই জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীর
পুনরুদ্ধারের সময় হয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন