উলুবেড়িয়া: গত বছরের তুলনায় এবার এখনও পর্যন্ত হাওড়া জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। যদিও জেলার স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, বছরের শুরুর দিকে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।
গত ১৬ সপ্তাহে অর্থাৎ
জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় মোট ১৩১ জন ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান পাওয়া
গিয়েছে। গত বছর এই সময় এই সংখ্যাটি ছিল ৭০। সূত্রের খবর, তবে গ্রামীণ
এলাকার তুলনায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেশি শহরাঞ্চলে। হাওড়া সদর এবং
ডোমজুড় ব্লকে এই সংখ্যা অনেকটাই বেশি। এই দুই জায়গায় ৮০ জনেরও বেশি ডেঙ্গু
রোগীর খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। এছাড়াও আমতা ১ নম্বর ব্লকে দু’জন এবং
উদয়নারায়ণপুর ব্লকে একজন ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। হাওড়া পুরসভার
এলাকা ছাড়াও ডোমজুড়, সাঁকরাইল ও বালি-জগাছা— এই ৩টি ব্লক আরবান এলাকা হওয়ায়
এখানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা একটু বেশি। শুধু ডোমজুড় ব্লকেই ৪০ জন ডেঙ্গু
রোগীর সন্ধান মিলেছে। স্বাভাবিকভাবে এখানে বিশেষ নজর দিয়েছে
স্বাস্থ্যদপ্তর। এইসব এলাকায় মশা মারতে স্প্রে করার পাশাপাশি সরকারি
টিমগুলিকে বাড়ি বাড়ি পাঠানো হচ্ছে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, গত কয়েক বছর
হাওড়ার গ্রামীণ এলাকায় বেশি সংখ্যক ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল।
হাওড়া
জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ কিশলয় দত্ত বলেন, গত বছরের তুলনায়
এবছর সংখ্যা কিছুটা বেশি হলেও এখন তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই সপ্তাহে মাত্র
দু’জন ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান মিলেছে। তা সত্ত্বেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে
সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন