দেশের গ্রামাঞ্চলে কমেছে মহিলাদের কর্মসংস্থান, কেন্দ্রেরই রিপোর্টে উদ্বেগ - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫

দেশের গ্রামাঞ্চলে কমেছে মহিলাদের কর্মসংস্থান, কেন্দ্রেরই রিপোর্টে উদ্বেগ

 


নয়াদিল্লি:  ভারতের আর্থিক বৃদ্ধিহারের প্রধান চালিকাশক্তি গ্রামীণ অর্থনীতি। আবার গ্রামীণ অর্থনীতির সবথেকে শক্তিশালী অনুঘটক নারীদের অংশগ্রহণ। কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, স্বনিযুক্তি প্রকল্প, মৎস্যচাষ, হস্তশিল্পের মেরুদন্ড বলা যায় নারী কর্মীদের। ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক যুদ্ধ কিংবা ভারতের বাণিজ্য ঘাটতির মতো বৃহৎ সঙ্কটের পাশাপাশি নতুন উদ্বেগ নিয়ে এসেছে নারীকর্মীর সংখ্যাহ্রাস। গ্রামীণ ভারতের জীবিকাক্ষেত্রে নারীদের কর্মসংস্থান তথা গ্রামীণ পেশায় নারীকর্মীর অংশিদারিত্ব ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে ছিল সাড়ে ৪১ শতাংশ। ২০২৫-২৫ অর্থবর্ষে তা কমে হয়েছে ৪০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান এবং প্রকল্প রূপায়ণ মন্ত্রকের প্রকাশ করা রিপোর্টে এই তথ্য সামনে এসেছে। 


রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে বেকারত্ব বেড়েছে।  কিন্তু শহরের তুলনায় গ্রামে বেড়েছে বেশি। প্রসঙ্গত, বিগত ৬ মাসের বেশি সময় ধরে দেখা গিয়েছে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে ১০০ দিনের কাজে প্রকল্পে যোগদানের আবেদন। এই পরিসংখ্যান গ্রামাঞ্চলে বেকারত্ব বৃদ্ধির অন্যতম প্রমাণ বলে মনে করা হচ্ছে।  লেবার ফোর্স পার্টিসিপেশন রেট রিপোর্ট অনুযায়ী, এই এক বছরে কর্মীর হার কমেছে। গ্রাম ও শহরে। উদ্বেগজনক হল, গ্রামীণ এলাকায় মহিলা কর্মীর সংখ্যা বেশি কমেছে। এই সমীক্ষা যে ভিত্তিতে করা হয়, সেটি হল একজন নারী অথবা পুরুষ, সারা বছরের মধ্যে কতদিন কোনও না কোনও কাজের মধ্যে যুক্ত থাকেন। অর্থাৎ কত দিন তিনি একটি অথবা ভিন্ন পেশা থেকে আয় করেন। 

পিরিয়ডিক লেবার সার্ভে করা হয় সাপ্তাহিক, মাসিক, বার্ষিক পরিসংখ্যানে। প্রসঙ্গত রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং অর্থমন্ত্রকের দীর্ঘদিন ধরেই একটি প্রধান উদ্বেগ হল কেন গ্রামীণ ক্রয় ক্ষমতা এবং ভোগ্য পণ্য ক্রয় প্রবণতা কমছে। গ্রামাঞ্চলে  পণ্য বিক্রি না হলে অর্থনীতির চাকা থমকে যায়। শহরে ভোগ্য পণ্য বিক্রি বেড়ে গেলেও গ্রামের পণ্য ক্রয় না হলে সামগ্রিক আর্থিক বৃদ্ধিহার ক্ষতির সম্মুখীন হয়। টু হুইলার, ট্রাক্টর, সাইকেল গ্রামীণ অর্থনীতির তিন প্রধান চালিকাশক্তির বিক্রি থমকে। বিশেষ করে মহিলাদের সাইকেল এবং হাল আমলে স্কুটি ক্রয় অন্যতম মানদন্ড হিসেবে দেখা হয় আর্থিক আদানপ্রদানে। সেই প্রবণতা কমেছে। ২০২৫ সালের  মার্চ মাসে সামান্য উন্নতির আভাস দেখা গেলেও সেটা নগণ্য। আর এজন্য‌ দায়ী হিসেবে মনে করা হচ্ছে নারী শক্তির কাজের যোগদানের প্রবণতা থমকে যাওয়া। কেন এই প্রবণতা যাচাই করতে চাইছে কেন্দ্র।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন