নয়া রং আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের! দেখেছেন মাত্র ৫ জন - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫

নয়া রং আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের! দেখেছেন মাত্র ৫ জন

 

নয়া রং আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের! দেখেছেন মাত্র ৫ জন

ওয়াশিংটন: ওলো। নতুন একটি রঙের আবিষ্কার করলেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। তবে পৃথিবীজুড়ে মাত্র পাঁচজন এই রং দর্শনের সৌভাগ্য লাভ করেছেন। শুক্রবার ‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ নামক এক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত বিশেষ গবেষণাপত্র। মজার বিষয়টি হল, সাধারণভাবে খালি চোখে দেখা যাবে না এই নতুন রং।


কীভাবে হদিশ মিলল এমন রঙের? এক্ষেত্রে প্রথমে আমাদের চোখের মধ্যে থাকা ‘কোন সেল’ সম্পর্কে জানতে হবে। কী এই ‘কোন সেল’? এটি আমাদের চোখের রেটিনায় থাকা একধরনের কোষ। যা রং দেখতে, চিনতে ও তাদের আলাদা করতে সাহায্য করে। রেটিনায় মূলত তিন ধরনের ‘কোন সেল’ থাকে। নীল (শর্ট - কম তরঙ্গ দৈর্ঘ্য), সবুজ  ( মিডিয়াম- মাঝারি তরঙ্গ দৈর্ঘ্য) ও লাল (লং - সবচেয়ে বেশি তরঙ্গ দৈর্ঘ্য)। মূলত লাল রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হয় এবং অনেক দূর থেকেও তা দেখা যায়। এরপরই রয়েছে যথাক্রমে সবুজ ও নীল। সাধারণত চোখের মধ্যে এই ‘কোন সেল’গুলি একসঙ্গে কাজ করে এবং আমাদের রং চিনতে শেখায়। তাই শুধুমাত্র এক ধরনের ‘কোন সেল’কে ব্যবহার করে বা সক্রিয় করে রং দেখা অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তুই সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। অত্যাধুনিক লেজার প্রযুক্তি ও আই ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করে শুধুমাত্র মিডিয়াম কোন সেল অর্থাৎ মাঝারি তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ‘কোন সেল’কে সক্রিয় করতে সক্ষম হয়েছেন তাঁরা। এর জেরেই জন্ম নিয়েছে নীল ও সবুজের মাঝামাঝি একটি রং। কিছুটা ময়ূরের গলার নীলাভ সবুজ রঙের মতো দেখতে। নাম দেওয়া হয়েছে ওলো। তবে খালি চোখে এই রং দেখা যাবে না।


বিজ্ঞানীদের কথায়, এপর্যন্ত পাঁচজনই এই রং প্রত্যক্ষ করেছেন। তাঁদের রেটিনার উপর লেজার প্রয়োগ করা হয়েছিল। তারপরই দৃশ্যমান হয় নতুন রং। সবে শুরু। এই আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে আগামীদিনে ভিসন সায়েন্সের ক্ষেত্রে একাধিক গবেষণার পথ খুলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন