আইআইটি থেকেও বাড়ছে ড্রপ আউটের সংখ্যা, আরটিআই রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য - Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel News | Latest Bengali News Bangla News, বাংলা খবর, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, তৃণমূল, বিজেপি খবর

Aaj Bikel is currently West Bengal's leading, popular, authentic and trustworthy digital media. Aaj Bikel News has become the voice of crores of readers and viewers.

শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫

আইআইটি থেকেও বাড়ছে ড্রপ আউটের সংখ্যা, আরটিআই রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য




নয়াদিল্লি: ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভারতের পাঁচটি আইআইটি থেকে প্রতি বছর গড়ে ৮৬০ জন পড়ুয়া ‘ড্রপ আউট’ হয়েছেন। স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি কোর্সে এই ড্রপ আউটের হার সবচেয়ে বেশি। ২০২০ থেকে ২০২২ সালে সবথেকে বেশি সংখ্যক পড়ুয়া আইআইটি ছেড়েছেন। ওই সময় কোভিডের জন্য সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। লকডাউনে পড়াশোনা চলেছিল ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে। কিন্তু লকডাউন উঠে যাওয়ার পরেও বহু পড়ুয়া আর ক্যাম্পাসে ফিরে আসেননি। দেশে প্রথম প্রতিষ্ঠিত পাঁচটি আইআইটির পড়াশোনার চিত্র নিয়ে একটি আরটিআই দায়ের হয়েছিল। তাতেই উঠে এসেছে এমন তথ্য। বলা হয়েছে, পাঁচ বছরে আইআইটি-খড়্গপুর, দিল্লি, মাদ্রাজ, কানপুর ও গুয়াহাটিতে পাঁচ বছরে মোট ৫ হাজার ২৯৪ জন পড়ুয়া পড়াশোনা ছেড়েছেন।
আরটিআই তথ্যে দেখা গিয়েছে, ওই সময়সীমার মধ্যে আইআইটি-খড়্গপুরে প্রতি বছর গড়ে ২৯৫ জন পড়াশোনা ছেড়েছেন। আইআইটি-কানপুরের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ২৩৪। আইআইটি-দিল্লিতে প্রতি বছর গড়ে ১৭৮ জন ড্রপ-আউট হয়েছেন। আইআইটি মাদ্রাজে এই গড় বছর প্রতি ১২৭ জন। আর আইআইটি-গুয়াহাটিতে এই গড় ২৬। মোট ড্রপ আউটের নিরিখেও সবার উপরে রয়েছে আইআইটি-খড়্গপুর। সেখানে ১৭৭২ জন পড়ুয়া তাঁদের পড়াশোনা বন্ধ করেছেন। এর মধ্যে ৮২৫ জন রিসার্চ স্কলার, ৭৮৫ জন স্নাতকোত্তর ও ১৬২ জন স্নাতকের পড়ুয়া রয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আইআইটি-কানপুর। সেখানে এই সংখ্যা ১৪০৫। এর মধ্যে ৭৪২ জন এমটেক, এমবিএ, এমএসসির মতো পাঠ্যক্রমের পড়ুয়া ছিলেন।
আইআইটির এক অধ্যাপক জানিয়েছেন, এই সংখ্যা উদ্বেগজনক হলেও গত এক দশক ধরেই পিএইচডি কোর্সে ড্রপ আউটের সংখ্যা বেড়েছে। কোভিড মহামারী সেই সংখ্যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর পিছনে অনেকগুলি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হল, ভালো গবেষণার সুযোগ কমে যাওয়া। বেশিরভাগ কর্পোরেট সংস্থাই গবেষণার জন্য টাকা খরচ করছে না। উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে উঠতে হলে ভালো মানের গবেষণার জন্য বড়ো সংস্থাগুলিকে এগিয়ে আসতে হবে।
আইআইটি ও কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ড্রপ আউটের সংখ্যা কত, তা নিয়ে চলতি বাজেট অধিবেশনেই কেন্দ্রকে প্রশ্ন করেছিলেন এক সাংসদ। তবে সেই উত্তর জানাতে চায়নি শিক্ষামন্ত্রক। ২ এপ্রিল লিখিত জবাবে শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার জানান, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের বিভিন্ন ধরনের সুযোগ থাকে। তাই তাঁরা এক কোর্স ছেড়ে অন্য কোর্সে যোগ দেন। তাই উচ্চশিক্ষায় ‘ড্রপ আউট’ ধারণাটাই ঠিক নয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন