মুম্বই:
আমাজন প্রাইম ভিডিওতে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ছোরি ২’-এ মায়ের ভূমিকায় দেখা
গিয়েছে আপনাকে। এই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করা চ্যালেঞ্জিং ছিল?
খুবই
চ্যালেঞ্জিং ছিল। এক মায়ের অনুভূতি, আবেগ ঠিকমতো দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারব
কি না, তা নিয়ে আমার আশঙ্কা ছিল। পরিচালক বিশাল স্যার (ফুরিয়া) আমাকে
প্রতি পদক্ষেপে গাইড করেছেন।
ভ্রুণ হত্যা, বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে এই ছবির গল্প। ব্যক্তি জীবনে এসব বিষয়ে কখনও সরব হয়েছেন?
বড়
বিষয় নিয়েই যে সবসময় সরব হতে হবে, তা নয়। আমাদের ছোট ছোট নানা বিষয় নিয়ে
প্রতিবাদ করতে হয়। নিজেদের সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠিত করতে লড়াই করতে হয়। কলেজে
পড়াকালীন সিনেমায় কাজ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি পড়াশোনা করে চাকরি করব,
এটাই সকলে চেয়েছিলেন। সেই সময়ে আমাকে লড়াই করতে হয়েছিল। একটা সময়ে আমার
বিয়ের জন্য সকলে ব্যস্ত হয়েছিলেন। আমি স্পষ্ট বলে দিয়েছিলাম যে, এখন বিয়ের
জন্য প্রস্তুত নই। তাই লড়াইয়ের শেষ নেই।
সিনেমা সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করে?
অবশ্যই।
আমার মতে সিনেমা অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম। মানুষ সিনেমা দেখে বাড়িতে এসে
ভুলে যান, তা কিন্তু নয়। সিনেমাটাকে মানুষ বয়ে বেড়ান। আর সিনেমার মাধ্যমে
যদি দশজন মানুষের মানসিকতায় পরিবর্তন আনা যায়, তা যথেষ্ট।
ছবির গল্প নাকি চরিত্র, কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
আমার কাছে চরিত্রের চেয়ে গল্প বেশি প্রাধান্য পায়। নিজেকে সবসময় দর্শকের আসনে বসে আমি গল্প শুনি।
দর্শকের সমালোচনা কীভাবে গ্রহণ করেন?
মানুষের
সমালোচনা থেকে আমি শিখেছি। আমি নিজেই নিজের কাজ বারবার দেখে ভুল সংশোধনের
চেষ্টা করেছি। ভুল করেছি, কিন্তু আবার ঠিক করার চেষ্টা করেছি। যা কিছু
ঘটেছে তারজন্য আমি কৃতজ্ঞ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন সময়ে ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হয় তারকাদের। এতে মানসিক চাপও তৈরি হয় নিশ্চয়ই। সামলান কীভাবে?
আমাদের
অর্থাৎ অভিনেত্রীদের উদ্দেশ্যে কত অচেনা মানুষ কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন।
এতে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য প্রভাবিত হয়। কিন্তু কিছু করার নেই। এখন এসবই
চলছে। মানুষ এখন অন্যকে আনন্দ দিতে ভুলে গিয়েছেন। আমি দেবতা হতে বলছি না,
অন্তত মানুষ তো হতে হবে!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন